প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ঝুঁকির মধ্যে জাহাঙ্গীর কবির নানক

রাজনীতিতে ঝুঁকির মধ্যে জাহাঙ্গীর কবির নানক

672
পড়া যাবে: 4 মিনিটে
advertisement

কাউন্সিলর তারেকুজ্জমান রাজীবের আ’টক এবং যুবলীগের সম্মেলন কমিটির প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাকফুটে চলে গেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন থেকেই তার শনির দশা শুরু হয়েছিল। ওই নির্বাচনে তিনি মোহাম্মদপুরের আসন থেকে মনোনয়ন পাননি।

advertisement

তার বদলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল সাদেক খানকে। কিন্তু অনেকেই মনে করেছিল এই মনোনয়ন না পাওয়া তার জন্য সাপে বর হয়েছে। মনোনয়ন না পাওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হন। শেখ হাসিনা তাকে বিভিন্ন নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর টিমের অংশ হিসেবে নানক দায়িত্ব পালন করেন।

নির্বাচনের পর জাহাঙ্গীর কবির নানককে প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হয়েছিল ছাত্রলীগের কমিটি করার জন্য। জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে আরেকজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং দুজন সাংগঠনিক সম্পাদককে এই দায়িত্বে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের কমিটি বাণিজ্য, ছাত্রলীগের কমিটিতে হাইব্রিডদের অনুপ্রবেশ ইত্যাদি নিয়ে তারা বিতর্কিত হন।

আরও পড়ুন:  ঢাকার আসনে মাশরাফি, আওয়ামী লীগের প্রার্থীতায় ব্যাপক রদবদল

এরপর শুদ্ধি অভিযান শুরু হলে বিভিন্নভাবে নানকের নাম ওঠে। অনলাইন ক্যা’সিনো’র মূল হোতা সেলিম প্রধান, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, খালেদ ভূঁইয়া এদের প্রত্যেকের সঙ্গেই নানকের নাম জড়িয়ে গেলে তিনি বি’ব্রতকর অবস্থায় পড়েন। কিন্তু গত শনিবার উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ডের (মোহাম্মদপুর) কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব গ্রে’প্তারে’র পর নানক একেবারেই ব্যাকফুটে চলে যান।

রাজীবের সঙ্গে নানকের অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক ছিল। নানকের লিখিত চিঠির মাধ্যমেই রাজীব যুবলীগের নেতা নির্বাচিত হয়েছিলেন। এটা নিয়ে দলের নীতি নির্ধারকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে নানককে। নানক চেয়েছিলেন, যুবলীগের কংগ্রেস প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক হবেন শহীদ সেরনিয়াবাত। সেভাবেই তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধও করেছিলেন। শহীদ সেরনিয়াবাত শেখ সেলিমের খালাতো ভাই।

আরও পড়ুন:  ক্যা’সিনো বিরোধী অভিযানে গ্রে’ফতার রাজীব জাহাঙ্গীর কবির নানকের 'কথিত' ছেলে

কিন্তু শেখ হাসিনা নানকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে একেবারে ক্লিন ইমেজের চয়ন ইসলামকে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক করেছেন। এর ফলে রাজনীতিতে নানক ব্যাকফুটে চলে গেছেন।

একে তিনি এখন আর সংসদ সদস্য নন, অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে স’ন্ত্রাসী এবং চাঁ’দাবাজদে’র সাথে সম্পর্কের অভিযোগ আছে। এরমধ্যে যুবলীগের কর্তৃত্ব সম্পূর্ণভাবে তার হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় রাজনীতিতে ঝুঁকির মধ্যে পড়লেন জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি অনেকটাই ব্যাকফুটে চলে গেলেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 889
    Shares
advertisement