প্রচ্ছদ অপরাধ

নানকপুত্র হিসেবে খ্যাত রাজিবের স্বীকারোক্তিতে ফেঁ’সে যাচ্ছেন সাবেক সাংসদ!

1855
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

নানকপুত্র হিসেবে খ্যাত ঢাকা উত্তর সিটির ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজিবের রিমান্ড স্বীকারোক্তিতে ফেঁ’সে যাচ্ছেন মোহাম্মদপুরের সাবেক এক সাংসদ! এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানক সংসদ সদস্য থাকাবস্থায় রাজিবের উত্থান ঘটে।

মূলত: তার আশ্রয়-প্রশয়ে রাজিব অ’পরাধ জ’গতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে। গোয়েন্দা তথ্যমতে জানা গেছে, তারেকুজ্জামান রাজিবকে সেসময় সহায়তা করেন যুবলীগ নেতা এবং নানকের বিশেষ সহকারী (এপিএস) মিজান। এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবীর নানককে বাবা ডেকে আলাদিনের চেরাগ পেয়ে যান রাজিব।

২০১৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটির ৩৩ নং ওর্য়াডের কমিশনার পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করে রাজিব। দেখতে সুদর্শন হওয়ায় সে সময়ই এমপির নজরে পড়ে যান। এরপরেই রাস্তার রাজা হয়ে যান সুলতান। রাজিবের অ’পকর্ম চরম পর্যায়ে গেলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এক সময় যুবলীগ থেকেও তাকে বহিস্কার করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক কাজী আনিসের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা দিয়ে যুবলীগে ফেরেন রাজিব।

আরও পড়ুন:  ক্যা’সিনো বিরোধী অভিযানে গ্রে’ফতার রাজীব জাহাঙ্গীর কবির নানকের 'কথিত' ছেলে

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, দ’খলবা’জি এবং চাঁ’দাবা’জি ছিল রাজিবের মূল কাজ। আর এসব করতেন তৎকালীন সংসদ সদস্যর আশ্রয়-প্রশয়ে। মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ১ নং রোডের ৩৩ নং প্লটে ৫ কাঠা জমির উপর যে ডুপ্লেক্স বাড়িতে রাজিব থাকতেন তা জোরপূর্বক দ’খল করা। অনেকটা জো’র করে জমির মালিক থেকে নামমাত্র দামে জমিটি কিনে নেন।

মোহাম্মদপুরের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে যারা কমিশনার রাজিবের কাছে গিয়েছেন তারাই ফেঁ’সেছেন। রাজিব র‌্যাবের কাছে দেয়া স্বী’কারোক্তিতে জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্যর কাছের মানুষদের সহায়তা নিয়ে তিনি মোহাম্মদপুরের নজরকাড়া বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাট এবং জমি নিজের দ’খলে রেখেছেন।  ওয়ার্ড কাউন্সিলর পাগল মিজান গ্রে’ফতার হবার পর পরই আ’ত্মগোপনে চলে যায় রাজিব।

আরও পড়ুন:  রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আ.লীগের প্রভাবশালী নেতা মিজানের অ*পরাধসাম্রাজ্য

গোয়েন্দা নজরদারী এড়িয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নিলেও শেষ অব্দী গোয়েন্দা জা’লে আ’টক হন রাজিব। যদিও অভিযানে অ’বৈধ অ’স্ত্র এবং মা’দক ব্যতিত তেমন কোন কিছু উদ্ধার করতে পারেনি র‌্যাব। র‌্যাবের ধারনা সবকিছু আচঁ করতে পেরে আগে-ভাগেই সবকিছু সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

তবে তারেকুজ্জামান রাজিবের সঠিক কোন আয়ের উৎস না থাকায় এতো সম্পদের মালিক কিভাবে হলেন তা খতিয়ে দেয়া হচ্ছে। রি’মান্ডে স্বী’কারোক্তিকালে রাজিব গুরুত্বপূর্ণ যাদের নাম প্রকাশ করেছেন সঠিক তদন্তের স্বার্থে সে সব ব্যক্তিদের যে কোন সময় আইন-শৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থা আটক করতে পারেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 7.8K
    Shares