প্রচ্ছদ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

শিশুদের প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য তৈরি করা হবে: পলক

5
শিশুদের প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য তৈরি করা হবে: পলক
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন আমাদের মেধাবী শিশুরা উন্নত বাংলাদেশ গড়তে পারবে। তিনি বলেন ভবিষ্যত জ্ঞান ভিত্তক, প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রাথমিক স্তর থেকেই শিুশুদেরকে কম্পিউটারের ভাষা, প্রোগ্রামিং ও কোডিং শিক্ষা দিতে হবে। যাতে মাধ্যমিক স্তরে এসেই নিজেদের প্রোগ্রামার হিসেবে তৈরি করতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী আজ আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) অডিটোরিয়ামে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত “শেখ রাসেল দিবস-২০২০” উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

পলক ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের বর্বোরচিত ও নির্মম হত্যাকান্ডের বর্ণনা দিয়ে বলেন অমিতসম্ভাবনাময়ী শেখ রাসেল আমাদের মাঝে নেই। মানবতার শত্রু ও ঘাতকের বুলেট থেকে রক্ষা পাননি সেই দিনের ছোট শিশু শেখ রাসেলও। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শেখ রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন প্রতিটি শিশুর জীবন যেন অর্থবহ হয় তা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। অথচ ১৫ আগস্ট পরবর্তী সরকার শেখ রাসেলসহ খুনিদের বিচার না করে বরং আইন করে বিচারের পথ রুদ্ধ করেছে। সে সময় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে খুনিদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। তারা শিশু–নারী হত্যাসহ হত্যা, খুন এবং নির্যাতনকে উৎসাহিত করত। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাবা, মা-ভাইয়ের খুনিদের বিচার পর্যন্ত চাইতে পারেনি, এমনকি একটি মামলাও করতে দেওয়া হয়নি সে সময়। ১৫ অগাস্টের হত্যাকান্ডে নারী-শিশুসহ জাতির পিতা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিচার হলে সমাজে শিশু কিশোর নারী হত্যা অনেকাংশে কমে যেত।

আরও পড়ুন:  যুক্তরাষ্ট্রে লাইসেন্সের মেয়াদ বাড়েনি হুয়াওয়ের

বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় দেশে হত্যাকাণ্ড ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি প্রথম চালু হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পর এ দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ করে বিচারের সংস্কৃতি চালু করেছেন । এখন কোনো অপরাধী অপরাধ করে রেহাই পায় না।

পলক বলেন শিশুরা প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য তৈরি হতে পারে সে লক্ষ্য কে সামনে রেখে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ এর পরিকল্পনায় আইসিটি বিভাগ সারা দেশে ৮,০০০ (আট হাজার) শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছে। তিনি বলেন সারা দেশে আরো ৫,০০০ (পাঁচ হাজার) শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  দেশের সব মোবাইল নম্বরই কেন শূন্য দিয়ে শুরু?

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী ১৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করার জন্য জোর দাবি জানান।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, বাংলাদেশে হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম আরশাদ হোসেন।

পরে “এক পলকে শেখ হাসিনা” অ্যাপ এর নির্মাতা চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী ও ক্ষুদে প্রোগ্রামার আরাবী বিনতে শফিক (শিফা) কে আইসিটি বিভাগের পক্ষ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার সম্মাননা চেক প্রদান করা হয়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।