ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করায় আক্রান্ত হন তথ্যমন্ত্রী

18
ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করায় আক্রান্ত হন তথ্যমন্ত্রী
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। করোনার সময়ে বাইরে যাতায়াত করাটা ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও প্রতিদিনই মন্ত্রণালয় এবং দলীয় দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু তাই নয়, করোনার এ সময়ে মন্ত্রণালয়ে কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে যেয়ে ফিরে যাননি। পরিবার ও সহকর্মীদের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দল ও দেশের জন্য সমানতালে কাজ করেছেন। আর এ কাজ করতে গিয়েই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা মন্ত্রীর করোনা আক্রান্তের কারণ হিসেবে এমনটাই জানালেন।

তারা জানান, করোনাকাল শুরু হওয়ার পর কখনও ঘরবন্দি থাকেনি তথ্যমন্ত্রী। কখনও দলের নেতাকর্মী, কখনও মন্ত্রণালয়ের কাজে আবার কখনও নিজ নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে মিশেছেন। প্রতিটি দিনই মন্ত্রী গণমাধ্যম কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যার কারণে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, তথ্যমন্ত্রী বর্তমানে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে উন্নতির দিকে। তিনি নিজে সুস্থতা বোধ করেছেন বলে ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:  ত্যাগের শক্তি হবে জীবনযুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রবল প্রত্যয়: ওবায়দুল কাদের

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে প্রথমে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন তথ্যমন্ত্রী। এরপর রবিবার মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে স্কয়ার হাসপাতালে যান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম। এ সময় স্কয়ার হাসপাতালের করোনা ইউনিট প্রধান ডা. রায়হান রাব্বানীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারাও তথ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা উন্নতি ঘটেছে বলে জানান।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ড. হাছান মাহমুদ একজন কর্মপ্রাণ মানুষ। করোনাকালে তিনি বাসায় বসে না থেকে মন্ত্রণালয়ের কাজে সক্রিয় ছিলেন। করোনার এ সময়টাতে যখন গণমাধ্যম কর্মীসহ অনেকেই বেতন-ভাতা এবং চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তার পড়েন। ঠিক সে সময়ে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তারা আরও বলছেন, বকেয়া বিজ্ঞাপন বিল প্রদানের উদ্যোগ নেন তথ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সাংবাদিকদের নগদ প্রণোদনার ব্যবস্থা করেন। মন্ত্রী হলেও দলীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগী ছিলেন তিনি। করোনা পরিস্থিতিতে দলের প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নে ছিলেন অগ্রভাগে। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের খোঁজ-খবর রেখেছেন নিয়মিত। এছাড়া নির্বাচনী এলাকার মানুষকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণমুক্ত রাখতে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:  বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ‘ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ’ যুক্তরাষ্ট্রের

সরকারি ত্রাণ সহায়তা সুষম বণ্টনে নিয়েছেন কার্যকর পদক্ষেপ। ব্যক্তিগতভাবেও করোনাকালে সুরক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন এলাকার হাজার হাজার মানুষের মাঝে। হাছান মাহমুদের নিজ এলাকা রাঙ্গুনিয়া উপজেলাসহ সমগ্র চট্টগ্রামে ও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নিউজটি পড়া হয়েছে 35 বার

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।