প্রচ্ছদ Featured News নুসরাত হ’ত্যায় অধ্যক্ষ সিরাজসহ সব আ’সামিকে ফাঁ’সির দ’ণ্ড দিল আদালত

নুসরাত হ’ত্যায় অধ্যক্ষ সিরাজসহ সব আ’সামিকে ফাঁ’সির দ’ণ্ড দিল আদালত

100
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আ’গুনে পু’ড়িয়ে হ’ত্যার দা’য়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জন আ’সামির সবাইকে ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে প্রত্যেক আ’সামিকে এক লাখ টাকা করে জ’রিমানা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৮ মিনিটে এই রায় পড়ে শোনান ফেনীর নারী ও শিশু নি’র্যাতন দ’মন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। রায় পড়তে সময় লাগে ১২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড।

রা’য় পড়ার শুরুতেই নুসরাত জাহান হ’ত্যা মা’মলায় গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন আদালত। আদালত বলেন, গণমাধ্যমের কারণেই এই ভয়াবহ হ’ত্যাকা’ণ্ডের ঘটনা দেশবাসী জানতে পারে।

রায়ে ফাঁ’সির দ’ণ্ডপ্রা’প্তরা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি রুহুল আমিন, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম, মাদ্রাসার শিক্ষক আবদুল কাদের, প্রভাষক আফসার উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ যোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা পপি ওরফে তুহিন, আবদুর রহিম শরিফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন মামুন, মোহাম্মদ শামীম ও মহি উদ্দিন শাকিল। তারা সবাই মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। তাদের মধ্যে ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

আরও পড়ুন:  পরীক্ষার হলে ১৫ মিনিট দেরিতে আসে নুসরাতের খু*নি মনি ও পপি

এর আগে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে আ’সামিদের কা’ঠগড়া’য় আনা হয়। ৩ মিনিটের মধ্যে আ’সামি’দের কা’ঠগড়ায় তোলা হয়।

এদিকে, রায়কে ঘিরে সোনাগাজী ও ফেনী সদর উপজেলায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার রয়েছে। ফেনী সদর ও সোনাগাজীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশের নি’রাপত্তাচৌ’কি বসানো হয়েছে। এ ছাড়া র‍্যাব সদস্যদের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। নুসরাতের বাড়িতেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রায় ঘোষণাকে ঘিরে যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে এ রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লী’লতাহা’নি করেন। এ ঘটনায় তাঁর মা শিরিনা আক্তার বা’দী হয়ে সোনাগাজী থানায় মা’মলা করলে অধ্যক্ষকে গ্রে’প্তার করে পুলিশ। মা’মলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার প্রশাসনিক ভবনের ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁ’ধে গায়ে কে’রোসিন ঢেলে আ’গুন লা’গিয়ে দেয় বোরকা পরা পাঁচ দুর্বৃত্ত। ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অ’গ্নিদ’গ্ধ নুসরাতের মৃ’ত্যু হয়।

আরও পড়ুন:  ড্রিল মেশিন দিয়ে পেটের স’ন্তান ন’ষ্ট করার হু’মকি দিয়ে স্বী’কারো’ক্তি নিয়েছে ,বললেন মনির স্বামী

এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মা’মলা করেন। পরে মা’মলাটি হ’ত্যা মা’মলায় রূপান্তরিত হয়। গত ২৮ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত শেষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে ৮৬৯ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র দাখিল করে। মাত্র ৬১ কার্যদিবসে মা’মলার কার্যক্রম শেষ হয়। আর মা’মলার ত’দন্ত কার্যক্রম শেষ করতে পিবিআইয়ের লাগে ৩৩ কার্যদিবস।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট:

  • 449
    Shares