প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

টানা ৩০ দিন আদা খাওয়ার সুফল! জানলে অবাক হতে বাধ্য

11
টানা ৩০ দিন আদা খাওয়ার সুফল! জানলে অবাক হতে বাধ্য
পড়া যাবে: < 1 minute

মসলার মধ্যে আ’দা রান্নার এক উৎকৃষ্ট ও গু’রুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে শুধু রান্নাতেই নয়, আদিযুগ থেকে সুস্থ ও সতেজ থাকতে এবং বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে আ’দার ব্যবহার চলে আসছে। বমি বমি ভাব,

হ’জমের সমস্যা ও ব্যথা ইত্যাদি থেকে মুক্তি পেতে বহুকাল থেকেই মানুষ আ’দা ব্যবহার করছে।

স্বাস্থ্যবি’ষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম টানা ৩০ দিন আ’দা খাওয়ার বেশ কিছু উপকারিতার কথা জানিয়েছে।

চলুন জেনে নেয়া যাক সেগু’লো- কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে

৮৫ জনের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র তিন গ্রাম আ’দার গু’ঁড়া খেলে শরীরের বাজে

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে হৃদরোগের ঝুঁ’কি কমে। ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁ’কি কমায়

আরও পড়ুন:  পা’ইল’সের স’মস্যা’য় কিছু নি’র্দিষ্ট খাবারও দারুন উপকারি, জেনে নিন বিস্তারিত…

প্রতিদিন মাত্র ২ গ্রাম আ’দার গু’ঁড়া ১২ স’প্তাহ ধরে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁ’কি ১০ ভাগ কমে।

পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁ’কিও কমে ১০ ভাগ। আ’দা ক্যান্সাররোধী

আ’দার মধ্যে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান। এটি কোলনের ক্যান্সার কোষ ধ্বং’স করতে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভালো করে। আ’দার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও বায়োঅ্যাকটিভ উপাদান মস্তিষ্কের অকালবার্ধক্য কমায়।

এতে স্মৃ’’তিশক্তি বাড়ে। হ’জমের সমস্যা রোধে। আ’দার মধ্যে ডাইজেসটিভ ট্রাক্টের প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে।

এটি পাচক রস নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। এতে খাবার ও পানি খুব সহ’জে পেটে নড়াচড়া করতে পারে।

আরও পড়ুন:  পা’য়ু’প’থে’র বি’ভিন্ন স’ম’স্যা প্র’তিরো’ধে যা করবেন

বমি রোধে, গ’র্ভাবস্থায় বমি কমাতে আ’দা খুব উপকারী। এছাড়া ম’র্নিং সিকনেস প্রতিরোধেও এটি কার্যকর।

ব্যথা কমাতে, পেশি ব্যথায় আ’দা কার্যকর। আ’দা ২৫ ভাগ পেশির ব্যথা কমাতে কাজ করে। প্রদাহ প্রতিরোধে কাজ করে, ২৪৭ জনের একদল লোকের ওপর একটি গবেষণা করে দেখা গেছে, আ’দা খুব দ্রুত গাঁটের ব্যথা কমায় এবং গাঁটের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।