প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

ছয় মণ কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়া সেই সবজি বিক্রেতা এখন লাখপতি

15
ছয় মণ কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়া সেই সবজি বিক্রেতা এখন লাখপতি
পড়া যাবে: < 1 minute

মাগুরার মহম্মদপুরে কয়েন জমিয়ে বিপাকে পড়া সেই ক্ষুদ্র সবজি ব্যবসায়ী খবির এখন লাখপতি। গলার কাঁটা হয়ে ওঠা সেই কয়েনই হলো তার গলার মালা।

বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর তা দেখে ঢাকার ব্যবসায়ী মিকা ফার্মা কেয়ার লি. এর কর্ণধর নিয়ামুল কবির টিপু খবিরের সেই ছয় মণ ওজনের ৬০ হাজার টাকার ধাতব মুদ্রার বিনিময়ে তাকে এক লাখ টাকা প্রদান করেছেন।

খবিরের মহম্মপুরের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে জমানো কয়েনের বিনিময়ে এই টাকা তুলে দেন তিনি। এ সময় মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামানন্দ পালসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সবজি বিক্রেতা খবির বলেন, গত ১০ বছরে ক্রেতাদের কাছ থেকে নেয়া ১-২ টাকার অসংখ্য কয়েন জমা হয় আমার কাছে। যার ওজন ৬ মণ। ক্রেতাদের কাছ থেকে সবজি বিক্রির সময় মুদ্রাগুলো আমি নিলেও আমার কাছ থেকে এখন আর কেউ নিচ্ছিল না। ফলে বিভিন্ন অঙ্কের ৬০ হাজার টাকা মূল্যের কয়েনগুলো নিয়ে বিপাকে পড়েছিলাম।

আরও পড়ুন:  আহত প্রিয় গরু, কষ্ট না দিতে হেলিকপ্টার ডেকে উদ্ধার

বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের মাধম্যে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের পর দেশব্যাপী বিষয়টি আলোচিত হলে সোনালি ব্যাংক মহাম্মদপুর শাখা পর্যায়ক্রমে কয়েনগুলো জমা নেবে বলে সামান্য কিছু কয়েন জমা নেয়।

এরই মাঝে ঢাকার ব্যবসায়ী নিয়ামুল কবির টিপু সাহেব এগুলোর বিনিময়ে আমাকে ১ লাখ টাকা প্রদান করে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এতে আমি খুবই উপকৃত ও খুশি- যোগ করেন খবির।

খবিরের বাড়ি মহম্মদপুর উপজেলা সদরের জাঙ্গালিয়া গ্রামে। গত ২৫ বছর ধরে স্থানীয় বাজারে সবজির ব্যবসা করেন তিনি।

খবিরের স্ত্রী জানান, ব্যবসার পুঁজির তিনের দুই ভাগই এই কয়েনের মধ্যে আটকে ছিল। দুই ছেলে-মেয়ে স্বামীসহ চার সদস্যের পরিবার নিয়ে যে কষ্টে ছিলাম এই টাকা প্রাপ্তির বিনিময়ে তা অনেকটা লাঘব হবে।

আরও পড়ুন:  পী’রের ধ`র্ষণে অ`ন্তঃস`ত্ত্বা ত’রুণী

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।