প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

মুরগি-পিয়াজের দাম আরো বাড়লো

5
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্থিতিশীল মুরগির বাজার। প্রতি কেজি কক মুরগির দাম এখন ৩৫০ টাকায় ঠেকেছে। অথচ মাত্র মাসখানেক আগেও এর দাম ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। এর সঙ্গে চলতি সপ্তাহে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দেশি ও আমদানি করা পিয়াজের দাম। এদিকে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে শুক্রবার সব ধরনের চাল, সয়াবিন (লুজ, বোতল ৫ লি.), পিয়াজ, ব্রয়লার মুরগি, আমদানি করা হলুদ ও গুঁড়া দুধের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজধানীর কয়েকটি বাজারে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহ ধরে মুরগির মাংসের দামে যে বাড়তি ধারা ছিল, সেখানেও কোনো ভাটা পড়েনি। মাসখানেক আগে দেশি মুরগির কেজি ছিল ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা। কয়েক দফায় দাম বেড়ে চলতি সপ্তাহে দেশি মুরগির কেজি হয়েছে ৪২০ থেকে ৫৫০ টাকা। পাকিস্তানি কক মুরগি মাসখানেক আগে প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

তবে চলতি সপ্তাহে তা ৩৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আর ব্রয়লার মুরগী কেজিতে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে এখন মুরগির সরবরাহ কম। তাছাড়া এই সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান বেড়ে যায়। তাই মুরগির দাম বেড়েছে। মুরগি ব্যবসায়ী খোরশেদ বলেন, মুরগির দাম সহসা আর কমবে বলে মনে হয় না। কারণ সামনে রোজা। আমাদের ধারণা রোজার শুরুতে মুরগির দাম আরো বাড়তে পারে। তবে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বকরির মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজিতে। এদিকে পিয়াজের কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে মানভেদে দেশি পিয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। পিয়াজ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এক সপ্তাহে পিয়াজের দাম দুই দফা বাড়বে কল্পনাও করতে পারিনি।

আরও পড়ুন:  নারীরা কি পরব তা ঠিক করবেন আপনি?

৩৫ টাকা কেজি বিক্রি করা পিয়াজ দেখতে দেখতে ৫৫ টাকা হয়ে গেছে। অথচ আড়তে পিয়াজের ঘাটতি নেই। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখন ফরিদপুরের মুড়ি কাটা পিয়াজ নামে পরিচিত দেশি পিয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। আগে আগে ওঠা এ পিয়াজের সরবরাহ আস্তে আস্তে কমে আসছে। এ কারণে দাম বেড়েছে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই পিয়াজের দাম কমে যাবে বলেও ধারণা করছেন তারা। এদিকে সামপ্রতিক সময়ে বাজারে চাল ও ভোজ্যতেলের দাম অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল, তা কমেনি। খুচরা দোকানে নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং মাঝারি বিআর-২৮ চাল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি হয়। বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি শালগম বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, গাজর ২০ থেকে ৩০ টাকা,

শিম ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৩০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৪০ টাকা, টমেটো ২০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা। প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়, বাঁধাকপি প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, প্রতিকেজি লতি ৬০ টাকা ও আলু ১৮ টাকা। লেবুর দাম বেড়ে প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আর আমদানি করা রসুন প্রতিকেজি ১২০ টাকা ও দেশি রসুন (কাঁচা) প্রতি কেজি ৬০ টাকা ও আদা ৬০ টাকা। এসব বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে (আকার ভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, প্রতিকেজি শিং মাছ (আকার ভেদে)

আরও পড়ুন:  'মামুনুল আমার বোনকে বিয়ে করেন, এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাম্প দেখিয়েছেন'

বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, পাবদা মাছ ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, দেশি কৈ মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাব বলছে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গুঁড়া দুধের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। কাওরান বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গুঁড়া দুধ ৫৫০ থেকে ৬৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়। কাওরান বাজারে কাঁচাবাজার করতে আসা মতিন বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যেরই দাম বাড়ছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।