প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

কুড়িয়ে পাওয়া মোবাইলে নিজ মে’য়ের ধ’র্ষ’ণে’র ভি’ডিও পেলেন বাবা

6
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

নওরোজ হিরা সিকদার। একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য। আর এ ক্ষমতা ব্যবহার করেই গত চার বছরে ১১ কি’শোরী’কে ধ’র্ষ’ণ ক’রেছে সে। শু’ধু ধ’র্ষণ’ই ন’য়, সেই দৃশ্য মোবাইলেও ধারণ করতো। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও দেখিয়ে কিশো’রীদের এ’কাধিক’বা’র ধ’র্ষ’ণ ক’রে আসছিল। হিরা সিকদারের মোবাইলে এসব ঘটনার ভি’ডিও পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

.

হিরা সিকদারের এমন বি’কৃত রুচির শিকার হয়েছেন একই পরিবারের তিন বোন এবং আরেকটি পরিবারের দুই বোন। আর এ খবর প্রকাশ হওয়া ঘ’টনার শি’কার দুই না’রীর বিয়ে ভেঙে গেছে। অভিযুক্ত হিরা সিকদার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ফরিদপুর ইউপির পশ্চিম ফরিদপুর গ্রামের আব্দুল খালেক সিকদারের ছেলে। ২৮ অক্টোবর রাতে হিরাসহ দুজনের বিরুদ্ধে বাকেরগঞ্জ থা’নায় মা’মলা ক’রেন ভুক্তভোগী এক কিশোরীর বাবা।

আর ১১ জনের পক্ষে থানায় আ’রেকটি ধ’র্’ষ’ণ মা’মলা করেন আরেক অভিভাবক। বর্তমানে পলাতক রয়েছেন হিরা সিকদার। ১৯ অক্টোবর তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর গ্রামের সিকদার বাড়ি এলাকায় হিরা সিকদারকে মারধর করা হয়। এ সময় হিরার পকেট থেকে ব্যবহৃত মোবাইল পড়ে যায়। পরবর্তীতে মোবাইলটি একই গ্রামের এক ব্যক্তি কুড়িয়ে পান।

সেই মোবাইলে বিভিন্ন মে’য়েদের সঙ্গে হিরার অ’শ্লী’ল ভি’ডিও দে’খতে পান। এর মধ্যে মোবাইলটি পাওয়া ব্যক্তির মেয়ের ভিডিও রয়েছে। এরপর এক এক করে গ্রামের বেশিরভাগ ব্যক্তির মোবাইলে ওই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ১১ ভুক্তভোগীর পক্ষে থানায় অভিযোগ দেয়া একজন জানান, হিরা সিকদার বিভিন্ন সময় গ্রামের মেয়েদের নানা প্র’লোভন দে’খিয়ে শা’রীরি’ক স’ম্পর্ক করে আসছিল। এর মধ্যে তার স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফল খারাপ হয়েছিল।

আরও পড়ুন:  চুলের যত্নে চায়ের লিকার

স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার ক্ষমতায় ওই শিক্ষার্থীদের ফল বদলে দেয়ার নাম ক’রে ধ’র্ষ’ণ ক’রে সে। আবার কাউকে সরকারি চাকরি দেয়া, বিয়ে করে সংসার করা, ভালো ছেলের কাছে বিয়ে দেয়াসহ বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়ে তা’দের ধ’র্ষণ ক’রেছে। ২০১৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১১টি মেয়ের সঙ্গে শা’রীরি’ক স’ম্পর্ক করেছে হিরা সিকদার। এদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। শা’রীরি’ক স’ম্পর্কের সময় এসব মেয়ের অগোচরে হিরা তা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তা’দের ফের ধ’র্’ণ ক’রে আ’সছিল।

এদের মধ্যে দুই মেয়ের বিয়ের পর তাদের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে ওই ভিডিও দেখায় হিরা সিকদার। ফলে তাদের তা’লাক দেয়া হয়। এছাড়া তা’র ধ’র্ষণে’র শি’কার হয়েছে একই পরিবারের তিন বোন এবং আরেক পরিবারের দুই বোন। কিন্তু ভিডিওর জন্য তারা কারো কাছে কোনো অভিযোগ করতে পারেননি।

আরও পড়ুন:  সোম-মঙ্গলবার বাস-ট্রেন চলাচলের ব্যাপারে যা জানালেন সেতুমন্ত্রী

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হিরার ঘনিষ্ঠ এক স্বজন জানান, হিরা বিবাহিত। সে তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকায় থাকতো। ওই সময় তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে হিরা এক ছে’লেকে ব’লাৎকা’র করে। এ ঘটনা এলাকাবাসী দেখে ফেললে হিরার মাথার চুল থেকে শুরু করে ভ্রু পর্যন্ত কেটে দেয়। পরে তাকে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনার পর হিরাকে তা’লাক দেয় স্ত্রী। এরপর থেকে হিরা গ্রামের বাড়িতে থাকা শুরু করে।

বিষয়টি জেনে অভিযুক্ত হিরা যে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সেই কমিটির সভাপতি মীর মহিসন ভীষণ ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, আমি হিরা সিকদারের বিচার চাই। তা’র বি’রুদ্ধে ধ’র্ষণে’র মা’মলার বি’ষয়টি আমি জানি। আমরাও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেব। মা’মলা দা’য়ের ও অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, হিরা সিকদারের বিরুদ্ধে আরো না’রী নি’র্যাত’নের প্র’মাণ মিলেছে। তাকে গ্রে’ফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।