প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

উচ্চ পর্যায়ের গ্রিন সিগনাল পাওয়া মাত্রই আইনের আওতায় আনা হবে কাস্টমসের ২০ কর্মকর্তাকে

145
পড়া যাবে: < 1 minute

অ’বৈধ উপায়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে এমন ২০ কাস্টমস কর্মকর্তার বিষয়ে অনুসন্ধান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চাকরিতে যোগদানের মেয়াদকালসহ তাদের বর্তমান অবস্থান ও কোন উপায়ে অ’বৈধভাবে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং কোথায় তা রেখেছেন তার বিস্তারিত তথ্য এখন গোয়েন্দাদের হাতে। অনেক কর্মকর্তা অবৈধ উপায়ে কোটিপতি বনে গেছেন।

মাঠ পর্যায়ের তদন্তে উঠে এসেছে যে, ১৫ থেকে ২০ বছর চাকরি করেই তারা বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছেন। দু’র্নীতিগ্র’স্ত কাস্টমসের এমন কর্মকর্তারা পরিকল্পিতভাবে চো’রাকা’রবা’রিদের কাছে কমিশন নেয়া, স্বর্ণ চো’লাচা’লানকা’রীদের ছেড়ে দিয়ে ঘু’ষ নেয়া, অ’বৈধ গাড়ি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আ’তাত করে মা’সিক মা’সোহারা আদায় করে তারা ওই সম্পদের মালিক হয়েছেন।

উচ্চ পর্যায়ের গ্রিন সিগনাল পাওয়া মাত্রই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তদন্ত সূত্র জানিয়েছে। চলমান শুদ্ধি অভিযানের শুরুতেই ঢাকা কাস্টমস হাউসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা অ’বৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের জবাবদিহিতার মুখে পড়ছেন। বিষয়টি টের পেয়ে তারা নানামুখি দৌঁড়ঝাপও শুরু করেছেন।

ঢাকা কাস্টমসের প্রায় ৫ জন কর্মকর্তা অন্য জেলায় যাবার জন্য কাস্টমস হাউজের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন জমা দিয়েছেন। কিন্তু, এখন পর্যন্ত কারও আবেদনে সাড়া মেলেনি। তালিকায় ওই পাঁচজনের মধ্যে চারজনের নাম রয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

চলমান শুদ্ধি অভিযানকে সামনে রেখে ঢাকা কাস্টমসে বর্তমান কর্মরত এবং বদলী হয়ে যাওয়া ২০ কর্মকর্তার একটি প্রাথমিক তালিকা করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের সবাইকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দুইজন কর্মকর্তা প্রমোদ ভ্রমণে থাইল্যান্ডে রয়েছেন। তারা কাস্টমস হাউজ থেকে ১০ দিনের ছুটি নিয়ে বিদেশে গেলেও আর ফিরে আসেননি। ৪ জন কর্মকর্তা ইতিমধ্যে অবসরে গেছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 561
    Shares