প্রচ্ছদ দৈনিক খবর

এক নিমিষেই ফুটো হয়ে গেল ৫ শতাধিক ঘরের চাল –

2
পড়া যাবে: < 1 minute

রংপুরের মিঠাপুকুরে শিলাবৃষ্টিতে বোরো ও ভুট্টা ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া পাঁচ শতাধিক বসতঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে গেছে। বুধবার গভীর রাতে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।বুধবার রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত উপজেলার দুর্গাপুর, লতিবপুর, পায়রাবন্দ, ভাংনী, বালারহাট, মির্জাপুর, ইমাদপুর, চেংমারী, ময়েনপুর, খোড়াগাছ ও রানীপুর ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ব্যাপকভাবে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর ঝড় হয়। এ সময় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বড় বড় শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার পাঁচ শতাধিক বসতঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্গাপুর ইউনিয়নের কাঁঠালী নয়াপাড়া গ্রামের আতাউর রহমান, আতোয়ার হোসেন, গোলাপ মিয়া, জলিল, উদ্দিন সেফাউল ইসলাম, রাসেল মিয়া, মওলা মণ্ডল, আনারুল হোসেনের ঘরসহ আশপাশের অন্তত শতাধিক বসতঘরের টিনের চালা ফুটো হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:  মিথিলা চান না তাকে সৃজিতের বউ বলে ডাকা হোক – নতুন কাহিনীর সূচনা

ওই গ্রামের বদিউজ্জামান পাতু বলেন, শিলাবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িতে লোকজন মানবেতর জীবনযাপন করছে। সরকারের তরফ থেকে এসব পরিবারকে সহায়তা দেওয়া দরকার।উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার মোশফিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ৪টি ইউনিয়নে শিলাবৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার খবর পেয়েছি। তথ্য সংগ্রহ চলছে। সব ইউনিয়নের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য হাতে আসার পর মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট পাঠানো হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে যে খবর পাওয়া গেছে তাতে দেখা গেছে- এবার উপজেলায় বোরো চাষ হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে। শিলাবৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৩০ হেক্টর। আর ভুট্টা চাষ হয়েছে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে। শিলাবৃষ্টিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ২ হেক্টর। হাঁড়িভাঙা আম এক হাজার ৫০ হেক্টরের মধ্যে ক্ষতির পরিমাণ ৫ হেক্টর। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কৃষি বিভাগ।

আরও পড়ুন:  আইসিইউতে কবরী, শারীরিক অবস্থার খবর জানালেন ছেলে

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।