প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

চাঁ’দাবা’জি পুলিশের আওতায় পড়ে না,আপনি বেশি কথা বললে ক্র’সফা’য়ারে দিয়ে দেবো

সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় ক্র’সফা’য়ারের হু’মকি দিল ওসি

201
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

সুনামগঞ্জ-১ (ধর্মপাশা, তাহিরপুর ও জামালগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে দু’র্নীতি দ’মন ক’মিশনে (দু’দক) অভিযোগ করায় তাহিরপুর উপজেলার মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে ক্র’সফা’য়ারে’র হু’মকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাহিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান এ হু’মকি দেন।

গতকাল বুধবার ওই ব্যক্তি লিখিত অভিযোগে বিষয়টি দু’দককে জানিয়েছেন। মিজানুর রহমান এর আগে এমপির বিরুদ্ধে গত ৩ ও ১৩ অক্টোবর দুই দফা দু’দকে লিখিত অভিযোগ দেন। এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে ক্যা’সিনোকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকা ও অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্তাধীন থাকায় তার বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দু’দক।

দু’দকে অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, গত ৩ অক্টোবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দু’র্নীতিবি’রোধী অভিযান শুরু করেন তখন আমিও এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে দু’দকে একটি অভিযোগ করেছিলাম।

আরও পড়ুন:  বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও বেতন নেওয়া সেই এমপি রতনের স্ত্রী বরখাস্ত

অভিযোগ দায়েরের ২-৩ দিন পর তাহিরপুর থানার ওসি আমার বাসায় ৩০-৪০ জন পুলিশ সদস্য পাঠান। পুলিশ সদস্যরা আমার বাসায় গিয়ে গা’লিগা’লাজ করেন। পরে আমি গত ২৯ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাহিরপুর থানার ওসিকে ফোন করি। বলি, ওসি সাহেব দেখেন তাহিরপুর থানা থেকে ফাজিলপুর নদীর শেষ সীমানা পর্যন্ত নদী খনন হচ্ছে। নদী খননের বালু বিদ্যালয়ে বা বসতবাড়িতে দেয়ার কথা থাকলেও এমপির নির্দেশে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে এবং এখানে চাঁ’দাবা’জি হচ্ছে।

মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি এই কথা বলার পর ওসি আমাকে বলেন, চাঁ’দাবা’জি পুলিশের আওতায় পড়ে না, আপনি বেশি কথা বললে আপনাকে ধরে নিয়ে এসে ক্র’সফা’য়ারে দিয়ে দেবো। আমি গ্রামীণফোন কোম্পানির কাছে আবেদন করেছি রেকর্ডটা দেয়ার জন্য। পুলিশের এমন হু’মকির পর আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

আরও পড়ুন:  ২০০ ড্রেজারের মালিক ওসি নন্দন কান্তির দৈনিক আয় ৩০ লাখ টাকা,আছে ভারতে বাড়ি

এছাড়া গত ১ অক্টোবর সুনামগঞ্জ পৌর শহরে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ছিল। এখানে তাঁর নির্বাচনী এলাকার ধরমপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রকাশ্যে সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেনকে ‘চাঁ’দাবা’জির গ’ডফা’দার’ বলে উল্লেখ করেন। এ সময় মঞ্চে সাংসদ মোয়াজ্জেমের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ ও আহমদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

তাহিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমি এখানে চাকরি করতে আসছি, কাউকে হু’মকি দিতে আসিনি। আমি তার বাসায় পুলিশও পাঠাইনি। তাকে কোনো হু’মকিও দেইনি।’ তিনি বলেন, এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের সঙ্গে মিজানুর রহমানের পারিবারিক সমস্যা থাকতে পারে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 293
    Shares