প্রচ্ছদ জানা অজানা পৃথিবী’র সব বরফ গলে গেলে কী ঘটবে আমাদে’র ভাগ্যে?

পৃথিবী’র সব বরফ গলে গেলে কী ঘটবে আমাদে’র ভাগ্যে?

36
পড়া যাবে: 3 মিনিটে
advertisement

একটি প্রশ্ন দিয়েই শুরু করছি, ‘আমাদের ভাগ্য কি আমরা নিজেরাই ধ্বংস করছি না’? জানা-অজা’নায় লোভের বশবর্তী হয়ে অথবা অনেক বেশি ক্ষমতাধর হওয়ার জন্য অনেকগুলো দেশ আমাদের এই সু’ন্দর পৃথিবীর পরিবেশের সাথে ভয়ংকর সব তাণ্ডবলীলা করেছে। আসল কথা তো এমনই যে, একদিকে আমরা হাজার কোটি টাকা অন্য গ্রহণের অনুসন্ধান এবং মহাবিশ্বের অন্য প্রাণের খোঁজে খরচ করছি আবার নিজেদের গ্র’হেও ভয়ংকর সব তাণ্ডব করার’ জন্য প্রতিনিয়তই অনেক টাকা খরচ করে চলছি।’

advertisement

এদিকে ঢাকা এবং’ দিল্লীর পরিবেশ দূষণ অথবা বিশ্বের অন্যান্য’ জায়গায় বাড়তে থাকা দূষণ, হোক সেটা শিকাগোর পোলার ‘ভার্টেক্স অথবা জল জীবন, এই সবকিছুর এক’মাত্র কারণ হলাম আমরা নিজেরাই। একবার একটু ভাবুন, আমরা’ যে প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ করে চলছি, তার ‘কারণে প্রকৃতিও যদি আমাদের সাথে ভয়ংকর রকম কোনো প্রতিশো’ধ নেয়? আর এই প্রতিশোধ নিতে যেয়ে পৃথি’বীর যত জায়গায় যত বরফ আছে, সব যদি একসাথে গলে যায়? এখন একটি প্রশ্ন এসেই যাচ্ছে যে, রাতারাতি’ যদি সব বরফ গলে যায় তাহলে কি হবে আমাদের সাথে? এটা ‘জানার জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।’

প্রকৃতির প্রতিশোধে য’দি পৃথিবীর সব বরফ একসাথে গলে ‘যায় তাহলেও কি আমরা পরিবেশ দূষণ বন্ধ করব? সে প্রশ্নের উত্তর অদৃষ্টের ‘উপরেই ছেড়ে দেই। তবে আশা কর’ছি আমাদের সাথে এমন কিছু হবে না, কিন্তু যদি হয়ে যায় তাহলে কি আপনি’ পুরো শহর সহ পানিতে ডুবে যাবেন’?

আসুন জেনে নেই পরি’বেশ দূষণের প্রভাবে পৃথিবীর সমস্ত ব’রফ গলে গেলে আমাদের সাথে ঠিক কী হতে যাচ্ছে?

আরও পড়ুন:  গলায় মাছের কাঁটা বি*ধেঁছে? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়গুলি

বেড়ে যাবে পানির উচ্চ’তা’

আমাদের পৃথিবীর বেশ’ ব’ড় একটা অংশ বরফে ঢাকা। রাতারাতি যদি সব বরফ গলে যায় তাহলে সমুদ্রের পানি প্রায় ২৫০ ফুট উপরে উ’ঠে’ যাবে। আর এটুকুই যথেষ্ট আমাদের দেশের বড় বড় সব ব্রিজগুলো পুরোপুরি পানিতে ডুবিয়ে দেয়ার জন্য। এর’ই ‘সাথে সাথে ভারত এবং বাংলাদেশের অনেক বড় বড় শহর মুম্বাই, গোয়া, চট্টগ্রাম, সিলেট এগুলোর সাথে আ’রো’ সাত মহাদেশের অনেকগুলো শহর পুরোপুরি পানিতে ডুবে যাবে। আর তখন না থাকবে মায়ামি শহর আর ‘না ‘থাকবে লন্ডন! এমনকি অস্ট্রেলিয়ার মতো একটি দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ জায়গা পানিতে ডুবে যাবে। এছাড়া ‘আচমকা চলে আসা এই জলস্রোতে ভেনিস এবং নেদারল্যান্ড পৃথিবীর মানচিত্র থেকেই একদম ডুবে যাবে।’

আফ্রিকা হয়ে যাবে জনমান’বশূন্য

আফ্রিকাকে অন্যান্য দেশে’র মতো অবস্থার মুখোমুখি হতে হবে না। আদতে যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হলো, আফ্রিকার অবস্থা তার থেকে’ও খারাপ অবস্থা হবে। হুট করেই সব বরফ গলে গেছে! তার মানে হলো পানির সাথে সাথে গরমও অনেক বেড়ে ‘গেছে। আর এই অতিরিক্ত তাপমাত্রার সবচেয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে আফ্রিকার উপর। অস্বাভাবিক রকম গ’রম থাকার কারণে আফ্রিকা মহাদেশের অনেকগুলো অংশ একদম জনমানবশূন্য, এমনকি প্রাণীশূন্যও হয়ে যাবে’। অত্যধিক গরমের কারণে সেখানে অনেক প্রাণীই বেঁচে থাকতে পারবে না।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ’

অবশ্য এমন অ’নেক জায়গা থেকে যাবে পৃথিবীতে যেগুলো পুরোপুরি পানিতে ডুবে যাবে না তবে সেই জায়গাগুলোকে ‘অনেক ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হবে। আপনার কি মনে হয়? এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ‘কি মানব সভ্যতাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে? না, ব্যাপারটা মোটেও এমন নয়। তবে এই দুর্যোগ থেকে যারা’ বেঁচে থাকবে তাদেরকে অনেক ধরনের প্রতিকূলতার সামনাসামনি করতে হবে। সব বরফ গলে যাওয়ার পর বাতা’সে কার্বনডাইঅক্সাইড বেড়ে যাবে আর এর ফলাফলস্বরূপ বেঁচে থাকা মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের নিঃশ্বাস ‘নিতে অনেক সমস্যায় ভুগতে হবে।

আরও পড়ুন:  ঘুম আসছে না? একবার ট্রাই করুন, ১ মিনিটে সমাধান

অনেক সামুদ্রিক প্রা’ণী বিলুপ্ত হতে থাকবে ধীরে ধীরে

এদিকে সমুদ্রের স্রো’ত তার গতিপথ বদলে ফেলবে, যার প্রভাব সামুদ্রিক প্রাণীদের উপরেও যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যমান থাকবে। এই ‘আচমকা পরিবর্তনের মধ্যে তারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবে না, এরই মধ্যে অনেক প্রাণী এই পরিবর্তনের ‘কারণে মারা পর্যন্ত যাবে। ফলাফল স্বরূপ অনেক সামুদ্রিক পানি এবং পোলার এনিমেল অর্থাৎ বরফে বাস করা’ প্রাণীরা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আর যারা বেঁচে থাকবে তাদের নিজেদের ঠিকানা এবং অভ্যাস বদলাতে হবে অবশ্যই।’

ফুড চেনের উপর সরাস’রি প্রভাব

আর প্রকৃতির এই হাজা’রো পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি আমাদের ফুড সাপ্লাই চেনের উপরে এসে পড়বে। না আমরা নিজেদের জন্য শ’স্য উৎপাদন করতে পারব আর না অন্য প্রাণীদেরকে নিজেদের খাবারে রূপান্তর করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে প্রা’ণী খুঁজে পাব। কেননা পুরো প্রকৃতিই বরফ গলার সাথে সাথে অন্য রকম রূপ ধারণ করবে। মরুভূমিতে প্রচুর ‘পরিমাণে বৃষ্টি হতে থাকবে আর যে সব জায়গায় আগে বৃষ্টি হতো সেখানে বৃষ্টি হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। যার কারণে আ’মাদের কৃষি কাজ আচমকা বাঁধার সম্মুখীন হবে এবং যার কারণে পুরো বিশ্বে খাদ্যের অভাব পড়ে যাবে।”

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 16
    Shares
advertisement