প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ যে কারনে আ.লীগ নেতাদের সামনে ওমর ফারুক চৌধুরী হাতজোড় করে ক্ষমা চাচ্ছে

যে কারনে আ.লীগ নেতাদের সামনে ওমর ফারুক চৌধুরী হাতজোড় করে ক্ষমা চাচ্ছে

396
পড়া যাবে: 4 মিনিটে
advertisement

রাজশাহী জেলা সভাপতি তিনবারের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বিরোধ ছিল। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ঢাকায় আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় নেতারা এক বৈঠবে তাদের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দেন। তবে ফারুক ও আসাদের মধ্যে বিরোধকে উষ্কে দিতে শনিবার রাত থেকে সেই বৈঠকের দুইটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

advertisement

যেখানে দেখা যায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সদস্য রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনসহ প্রভাবশালী নেতারা বসে আছেন। আর টেবিলের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইছেন ওমর ফারুক চৌধুরী। তার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।

আরেকটি ছবিতে দেখা যায় ফারুক যখন আসাদের দিকে তাকিয়ে হাতজোড় করে ছিলেন আসাদ তখন তার দিকে তাকাচ্ছিলেনও না। আরেকটি ছবিতে আসাদকে সরে যেতে দেখা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:  আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে হাত জোড় করে ক্ষমা চাইছেন ওমর ফারুক চৌধুরী

ঘটনার একদিন পর শনিবার দিনগত রাতে অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম কেনো নিজের ফেসবুকে ছবিটি শেয়ার করলেন তা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। কারণ তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীপন্থি নেতা বলেই পরিচিত।

ভাইরাল হওয়া ছবিটির ব্যাখ্যায় ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘যারা ছবিটা ফেসবুকে পোস্ট করছেন তারাই ভালো বলতে পারবে। তাদেরকেই জিজ্ঞেস করেন।’এমনটি এই ছবি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদও।

এদিকে ঢাকায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের প্রধান কার্যালয়ের ওই বৈঠকে থাকা নেতারা বিষয়টি খেলাসা করেন। এক নেতা বলেন, বৈঠকে দুই নেতার এক অপরের বিরুদ্ধে কি অভিযোগ সেগুলো এসব নিয়ে আলোচনা হয়। এসব কিছুর এক পর্যায়ে ওমর ফারুক চৌধুরী উঠে কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে হাতজোড় করে বলেন, ‘অনেক হলো, এবার আমাকে মুক্তি দেন।

আরও পড়ুন:  দ্বন্দ্ব না মিটলেও ৪ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে

আমাকে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দেন অথবা জেলা কমিটি ভেঙে দেন। এই কমিটির চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, জামায়াত-বিএনপি’র পৃষ্ঠপোষক নেতারা যেভাবে আমাকে, আমার জন্মদাতা শহীদ পিতাকে নিয়ে চরম মিথ্যাচার ও নোংরামি করছে, সেসব আমি আর সহ্য করতে পারছি না। আমি আমার শহীদ পিতার সম্মান রক্ষা করতে চাই। আমি কোনো পদে না থেকেও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের একজন সৈনিক হিসাবে কাজ করতে চাই।’

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার দাবি ৪ ডিসেম্বর দলের সম্মেলনের আগে ফারুক চৌধুরী ও আসাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব উষ্কে দেওয়ার জন্যই ছবিটি ছরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে সম্মেলনের সমন্বয়ের দায়িত্ব থাকা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এর মধ্যেই বিষয়টি সম্পর্কে অবহত হয়েছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 216
    Shares
advertisement