প্রচ্ছদ আইন-আদালত

আবরার হ’ত্যায় সরাসরি অংশে নিয়েছিল ১১ জন,আদালতে ডিবি পুলিশের চা’র্জশিট প্রদান

159
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হ’ত্যার ঘটনায় আদালতে চা’র্জশিট দিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। চা’র্জশিটে ২৫ জনকে আ’সামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২১ জন ইতিমধ্যেই গ্রে’প্তার হয়েছেন। আর বাকি চারজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

আজ বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, আবরার হ’ত্যায় ২৫ জনকে আ’সামি করে দুপুরে মহানগর হাকিম আদালতে চা’র্জশিট পাঠানো হয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই হ’ত্যাকা’ণ্ডে এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। গ্রে’প্তারকৃতদের মধ্যে এ’জাহারনামীয় ১৬ জন ও এ’জাহারের বাইরে পাঁচজন আছেন। আর বাকি চারজন এখনো পলাতক।’ ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘মা’মলাটির তদন্ত করতে গিয়ে ডিবি জানতে পারে যে, আবরার হ’ত্যায় সরাসরি অংশে নিয়েছিল ১১ জন। এ ছাড়া বাকি ১৪ জন হ’ত্যাকা’ণ্ডে বিভিন্নভাবে জড়িত ছিল।’

আরও পড়ুন:  ফাহাদ হ*ত্যাকা*ণ্ডের নতুন একটি ভিডিও প্রকাশ

এ’জাহারনামীয়রা হলেন-মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মো. মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা ও এএসএম নাজমুস সাদাত।

এজাহার বহির্ভূত পাঁচজন হলেন- ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এসএম মাহমুদ সেতু। তাদের মধ্যে প্রথম ১৬ জনের নাম হ’ত্যা মা’মলার এ’জাহারে উল্লেখ ছিল। বাকিদের নাম তদন্তে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন:  আবরার ফাহাদ হ’ত্যাকা’ন্ডের ত’দন্তে নতুন মোড়

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ কে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার ম’রদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ম’য়নাতদ’ন্ত সম্পন্ন হয়। নি’হত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। ওই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বা’দী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হ’ত্যা মা’মলা করেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 1.1K
    Shares