প্রচ্ছদ জেলা এন আই ডি জালিয়াতি ইসি কর্মীকে নিয়ে গেছে পুলিশ।

এন আই ডি জালিয়াতি ইসি কর্মীকে নিয়ে গেছে পুলিশ।

43
পড়া যাবে: < 1 minute

চট্টগ্রামের আলোচিত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতি মামলার ঘটনায় নির্বাচন অফিসের আরোও দুই কর্মকর্তাকে গ্রে’প্তার করেছেন কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। আজ বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ২টায় মীরসরাই নির্বাচন অফিস ও চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে তাদের গ্রে’প্তার করা হয়।

গ্রে’প্তারকৃত’রা হলেন- কুমিল্লার মৃত আনু মিয়া ভুঁইয়ার ছেলে মো. আবুল খায়ের (৪৫), নোয়াখালীর মো. আরব আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫)।

এদের মধ্যে আবুল খায়ের বর্তমানে সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় চট্টগ্রামে উচ্চমান সহকারি হিসেবে কর্মরত রয়েছে ও মো. আনেয়ার হোসেন মীরসরাই উপজেলা নিবার্চস অফিসে অফিস সহকারি হিসেব কর্মরত রয়েছেন।

আরও পড়ুন:  *দুবাই থেকে আসা যাত্রী ২০টি স্ব'র্ণের বারসহ আটক*

কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট চট্টগ্রামের উপ-কমিশনার মো. শহীদুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের এনআইডি প্রদানের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের দু’জনকে আজ দুপুর ২টার দিকে গ্রে’প্তার করা হয়।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যে যারা গ্রে’প্তার হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনার যেসব তথ্য দিয়েছেন সেখানে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের আজ মীরসরাই নির্বাচন কমিশন অফিস ও চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে তাদের দু’জনকে গ্রে’প্তার করি।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট লাকী নামের এক নারী চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে এনআইডির স্মার্ট কার্ড তুলতে গেলে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ওই নারী রোহি’ঙ্গা এবং টাকা দিয়ে এনআইডি করিয়েছেন। পরদিন এ ঘটনায় মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

আরও পড়ুন:  এবার র‌্যাবের স’ঙ্গে ব’ন্দুকযু’দ্ধে নি’হত হ’ল যুবলীগের সহ-সভাপতি

ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ধরা পড়ে ইসির ডবলমুরিং থানার অফিস সহায়ক (পিয়ন) জয়নাল আবেদীন একটি ল্যাপটপ চুরি করে নিজ বাসায় বসে টাকার বিনিময়ে বিভিন্নজনকে এনআইডি তৈরি করে দিচ্ছেন।

এরপর মোস্তফা ফারুকও একই প্রক্রিয়ায় রোহি’ঙ্গাদের এনআইডি তৈরির কাজে নিয়োজিত বলে তথ্য আসে। মূলত ইসির খোয়া যাওয়া ল্যাপটপ ব্যবহার করে এই জালিয়াতির কাজ তাঁরা করতেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট:

  • 79
    Shares