প্রচ্ছদ অর্থ ও বাণিজ্য বিশ্বে সর্বোচ্চ দাম বাংলাদেশে,পাঁচ মাসে সাড়ে ছয় গুণ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

বিশ্বে সর্বোচ্চ দাম বাংলাদেশে,পাঁচ মাসে সাড়ে ছয় গুণ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম

53
পড়া যাবে: 5 মিনিটে

বিশ্বে সর্বোচ্চ দাম বাংলাদেশে : বর্তমানে বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম ২৬০ টাকা বা ৩.০৬ ডলার, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। বাজার পর্যবেক্ষক অনলাইন নামবিওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের পরেই আছে জাপান ২.৮৯, দক্ষিণ কোরিয়া ২.৮৩, সুইজারল্যান্ড ২.৬৬, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২.৫৮, হংকং ২.৪০, নরওয়ে ২.৩৭, তাইওয়ান ২.২২, সিঙ্গাপুর ২.১১, ফ্রান্স ২.০২ ও কানাডায় ১.৯৫ মার্কিন ডলারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

পেঁয়াজ- জ্বব্রভুগছে দেশ। চলতি বছর ১৭ গুণের বেশি দাম বেড়ে দেশি পেঁয়াজ গতকাল ২৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ। গত জুলাই থেকে গতকাল পর্যন্ত পণ্যটির দাম বেড়েছে সাড়ে ছয়গুণ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৫-১৮ টাকায় বিক্রি হয়। ২৩ জুলাই সর্বোচ্চ দাম হয় ৪০ টাকা। নতুন পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম কিছুটা কমবে বলে ভোক্তারা মনে করলেও তা হয়নি। গতকাল শুক্রবার কিশোরগঞ্জে দেশি আগাম পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা কেজি। এদিকে মিসর ও তুরস্ক থেকে আমদানি হওয়া বড় তিনটি চালান ২০ নভেম্বরের মধ্যে আসতে শুরু করবে বলে জানা গেছে। ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে গতকালের তথ্যে জানা গেছে, দেশটির পুরনো ঋণপত্রের পেঁয়াজও ছাড়ছে না। আর উদ্ভূত সংকট নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যেও জোর সমালোচনা শুরু হয়েছে। গতকাল সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, যে চাহিদা আমদানির ওপর মেটে সে ব্যাপারে আগে থেকে পদক্ষেপ নিতে হয়, তবে মনে করছি শিগগিরই স্বাভাবিক হবে পেঁয়াজের দাম।

দেশ রূপান্তরের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজধানীর খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৫ ও আমদানির ১৪ টাকা ছিল। মার্চে দেশি ১৮ ও আমদানির ১৬ টাকা ছিল। কেজিতে ৪ টাকা বেড়ে ১ এপ্রিল দেশি ২২ ও আমদানির ১৮ টাকা বিক্রি হয়। আরেক দফা বেড়ে ২০ এপ্রিল দেশি ৩০ ও আমদানির ২৫ টাকা দরে কেজি বিক্রি হয়। এরপর দুই মাস পেঁয়াজের দামের ধারাবাহিক বৃদ্ধি লক্ষ করা যায়নি। এরপর ২৩ জুলাই হঠাৎ কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে দেশি ৪০ ও আমদানির ৩৫ টাকা বিক্রি হয়। ২০ আগস্ট দেশি ৪৫ ও আমদানির ৪০ টাকা হয়। ১৩ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজ রপ্তানির ন্যূনতম মূল্য টন ৮৫০ ডলার নির্ধারণের দিন দেশি পেঁয়াজের কেজি ৫০ ও আমদানির ৪৫ টাকা ছিল। পরের দিন ১৪ সেপ্টেম্বর দাম বেড়ে দেশি ৬৫ ও আমদানির ৬০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হয়। ২৫ সেপ্টেম্বর দেশি পেঁয়াজ ৯০ ও আমদানির ৭০ টাকায় কেজি বিক্রি হয়। কয়েক দিনের মজুদবিরোধী অভিযানের পর ২৭ সেপ্টেম্বর দাম কমে দেশি ৭০ ও আমদানির ৬০ টাকা হয়। তবে ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার পর চলতি বছর প্রথমবারের মতো দেশি পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা হয়। ১ অক্টোবর দেশি ১২০ ও আমদানির ১১০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

এরপর কয়েক দিন দাম বাড়া-কমার মধ্যে থাকে। ৩১ অক্টোবর দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশি পেঁয়াজের কেজি ১৬০ টাকা হয়। ওইদিন আমদানি পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৪৫ টাকা। তখন সরকারের পক্ষ থেকে অভিযান ও পেঁয়াজের সর্বোচ্চ পাইকারি মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এতে দাম আবারও কমে। কিন্তু ৯ নভেম্বর মজুদদাররা জোটবদ্ধ হয়ে বাজারে পেঁয়াজ সরবরাহ কমিয়ে দেয়। এতে ফের পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। ১৩ নভেম্বর দেশি পেঁয়াজ ১৯০ ও আমদানির ১৭০ টাকায় বিক্রি হয়। এরপর ১৪ নভেম্বর ৪০ টাকা বেড়ে দক্ষিণ এশিয়ার সর্বোচ্চ দামে দেশি পেঁয়াজ ২৩০ টাকা বিক্রি হয়। এদিন আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২০০ টাকা। গতকাল দেশি পেঁয়াজ ২৬০ ও আমদানির ২৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ভারত গত ২৮ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সরকার মিয়ানমার থেকে পণ্যটি আমদানির উদ্যোগ নেয়। এর বাইরে চীন থেকেও বাজারে পেঁয়াজ আনে ব্যবসায়ীরা। কিন্তু বাংলাদেশে বাড়তি চাহিদার কারণে মিয়ানমার পেঁয়াজের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ করে। আর বর্তমানে দেশটি ওই সময়ে চেয়ে তিনগুণ বেশি দামে পেঁয়াজ রপ্তানি করছে। এতে দেশের বাজারেও পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকে। গত অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরকালে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর দেশটিতে আটকে থাকা পুরনো ঋণপত্রের বকেয়া প্রায় ৬০ হাজার টন পেঁয়াজ ছাড় পেলে বাংলাদেশে আসে। তাতেও বাজার নিয়ন্ত্রণে না এলে সরকার মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির চেষ্টা করে। এজন্য এস আলম, সিটি ও মেঘনা গ্রুপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া আরও ছোট কয়েকটি কোম্পানি মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আনছে। তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানে ১৫ বছর পর পাকিস্তান থেকেও পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। বর্তমানে মিসর ও তুরস্কের পেঁয়াজের বড় তিনটি চালান পথে রয়েছে। আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, ২০ নভেম্বরের আগেই এসব চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছবে।

গতকাল রাজধানীর পাইকারি বাজার শ্যামবাজারে হাতেগোনা কয়েকটি আড়তে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করতে দেখা যায়। আমদানি পেঁয়াজ প্রায় সব আড়তেই ছিল। সেখানে দেশি পেঁয়াজের কেজি ২১০-২২০ ও মিয়ানমারের ১৯০-২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়। কারওয়ানবাজারে পাইকারিতে দেশি ২৩০, মিয়ানমার ২২০ ও মিসরের ২০০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হয়।

শ্যামবাজারের আড়তদাররা জানান, শনিবার (আজ) দাম আরও বাড়বে। পাইকারিতে দাম বাড়ায় রাজধানীর কোনো কোনো দোকানদার পেঁয়াজ কেনেননি বলে জানান। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন দোকানে খুচরায় দেশি পেঁয়াজ ২৫০-২৬০, মিয়ানমার ২৪০ ও মিসরের ২৩০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হয়।

দাম বাড়ার পেছনে গুজবও কারণ : চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার, বক্সিরহাট, সদরঘাটে খুচরা বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭০-১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। গতকাল বিভিন্ন বাজারে ২০০ টাকা পর্যন্ত আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। রিয়াজউদ্দিন বাজারের মুদির দোকানি খোরশেদ আলম বলেন, ‘পেঁয়াজ গত বুধবার ১৫০ টাকা বিক্রি করেছি, এখন দাম ২০০। ফেইসবুকেই তো বলা হচ্ছে দাম ২১০-২২০ টাকা।’ বক্সিরহাটের খুচরা বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন ‘পেঁয়াজ আকার ও মানভেদে ১৫০-১৯০ টাকায় বিক্রি করছি এখনো। খাতুনগঞ্জের আড়তদার হাজি মো. ইদ্রিচ বলেন, ‘সরবরাহ সংকট আছে। চাহিদা অনুযায়ী মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আসেনি। গত বৃহস্পতিবার খাতুনগঞ্জে পাইকারিতে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ১৫০-১৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আছাদগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা পিয়াল দাশ বলেন, ‘গত সপ্তাহে পেঁয়াজ কিনেছি। চলতি সপ্তাহে দেখলাম দাম ১৮০-২০০ টাকা, তাই কেনা হয়নি। কিছু হুজুগে মানুষ গুজব ছড়াচ্ছে, এর সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলিতে পেঁয়াজের কেজি ২১০ টাকা : আমাদের হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, গতকাল হিলি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ২০০-২১০ টাকা বিক্রি হয়েছে। একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশি পেঁয়াজের দাম। এক দিন আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৭০-১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।

হিলি বাজারের বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন, পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ায় ঘণ্টায় ঘণ্টায় দাম বাড়ছে। এতে পেঁয়াজ কিনতে ভয় পাচ্ছি।

পার্বতীপুরে পেঁয়াজের কেজি ২৪০ টাকা : আমাদের পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, পার্বতীপুরে এক দিনের ব্যবধানে ৬০ টাকা দাম বেড়ে গতকাল ২৪০ টাকা দরে কেজি বিক্রি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৭০-১৮০ টাকায়। দোকানি আবদুল জলিল বলেন, ‘আমি ৩০ বছর ধরে ব্যবসা করছি। পেঁয়াজের এত দাম কখনো দেখিনি। তিনি জানান, পার্বতীপুরের ব্যবসায়ীরা কুষ্টিয়া ও সৈয়দপুর থেকে পেঁয়াজ আনছেন। পার্বতীপুর শহরের কাঁচামাল আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. হাসান আলী জানান, আগে যে আড়তে ২০ গাড়ি পেঁয়াজ আসত, সেখানে এখন আসছে মাত্র দুই গাড়ি।

কিশোরগঞ্জে নতুন পেঁয়াজও ২০০ টাকা : আমাদের কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলার ১৩টি উপজেলার বিভিন্ন বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন মুড়ি কাটা পেঁয়াজ। ভোক্তারা ভেবেছিলেন এবার কিছুটা হলেও পেঁয়াজের দর কমবে, তা হয়নি। দেশি নতুন এ পেঁয়াজের দামও ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি লাভের আশাই রোপণের ৩০-৩৫ দিনেই পেঁয়াজ তোলা হচ্ছে।

ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা উঠতে পারে চলতি মাসে : আমাদের হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চলতি মাসের শেষদিকে ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিতে পারে। তবে পুরনো ঋণপত্রের (এলসি) বকেয়া পেঁয়াজ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন আমদানিকারকরা। গতকাল এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে দেশটির রপ্তানিকারকরা এর আগে জানিয়েছিলেন। তবে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। দেশটির রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, বকেয়া পেঁয়াজ ছাড় করা হচ্ছে না।

চোরাই পথে আসা ভারতীয় পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক আটক : আমাদের সিলেট অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক জানিয়েছেন, ভারত থেকে চোরাই পথে সিলেটের তামাবিল সীমান্ত এলাকা দিয়ে আসা এক ট্রাক পেঁয়াজসহ দুজনকে আটক করেছে র‌্যাব। গতকাল বিকেলে র‌্যাব-৯-এর একটি দল সিলেট শহরতলির বটেশ্বর এলাকা থেকে তাদের আটক করে। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলো সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ভিত্রিখেল গ্রামের আবদুল হকের ছেলে লায়েছ উদ্দিন ও রাজশাহীর গোয়ালিয়ার আরমান আলীর ছেলে মিরাজ আলী। র‌্যাবের মিডিয়া কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, ওই ট্রাকে ২ হাজার ২৪০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। আমদানির কোনো কাগজপত্র দেখাতে না পারায় পেঁয়াজসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে।

আমদানিতে সহায়তা করবে অর্থ মন্ত্রণালয় : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এখন পেঁয়াজ আমদানির ওপর সরকারকে কোনো আমদানি শুল্ক দিতে হয় না। পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অর্থসহ যেকোনো ধরনের সহায়তা চাইলে তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। গতকাল বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার ১২৩তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পেঁয়াজের বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দেখভাল করে। আমাদের কাজ অর্থ দেওয়া। পেঁয়াজের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যা চাইবে সব দেওয়া হবে। পেঁয়াজ আমদানিতে এখন কোনো ইমপোর্ট ডিউটি (আমদানি শুল্ক) নেই।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজ আমদানির জন্য কোনো বাধা থাকে না। গতকাল (বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে পেঁয়াজের সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট: