প্রচ্ছদ রাজধানী ১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন রিহ্যাব সভাপতি

১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন রিহ্যাব সভাপতি

69
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাবের পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিনের (কাজল) বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ তুলে পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে নতুন কমিটি নির্বাচনের দাবি জানানো হয়েছে। রিহ্যাব সদস্য ও হ্যাবেলি প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন এম এ আউয়াল গত ১৩ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন পরিচালকের কাছে একটি চিঠি দেন। চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

চিঠিতে বলা হয়, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীদের একমাত্র সংগঠন। কিন্তু রিহ্যাবের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ প্রহসনমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণ করে বিভিন্ন অনিয়ম ও বেআইনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। টিঠিতে রিহ্যাব সভাপতির কিছু অনিয়ম ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরেছেন এম এ আউয়াল। তার অভিযোগ-

বর্তমান রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদের বোর্ড মিটিং রিহ্যাব সংঘবিধি অনুযায়ী হচ্ছে না। অথচ রিহ্যাবের সংঘবিধির সেভেন এ বিধি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে বোর্ড মিটিং করা বাধ্যতামূলক। সম্প্রতি রিহ্যাবের সভাপতি কর্তৃক হিসাব থেকে এক কোটি টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তোলন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদের কোনো পূর্বানুমতি নেয়া হয়নি।

ওই পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে রিহ্যাব সদস্য চিঠি দিলেও রিহ্যাব থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে। রিহ্যাব সদস্যের অভিযোগ, রিহ্যাব সংঘবিধি অনুযায়ী, রিহ্যাব সভাপতি পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত রিহ্যাবের স্বার্থে জরুরি প্রয়োজনে ব্যয় করতে পারবেন। কিন্তু এক্ষেত্রে রিহ্যাবের সংঘবিধি নিয়ম মানা হয়নি। বিধায় এটি একটি সাংঘাতিক অনিয়ম বটে।

চিঠিতে বলা হয়, বাণিজ্য সংগঠন কর্তৃক সুষ্ঠু তদন্ত করলে রিহ্যাবের বর্তমান নেতৃবৃন্দের আরও অনেক অনিয়ম ও কুকীর্তি উদ্ঘাটিত হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল বলেন, এ ধরনের কোন চিঠির খবর আমার কাছে নিই। তবে আমি যা করেছি বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিয়েই করেছি। আমি কোনও অনিয়ম করিনি।

এ বিষয়ে রিহ্যাব সদস্য ও হ্যাবেলি প্রপার্টি ভেডেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলা ইনসাইডারকে বলেন. ‘ঐশী প্রপার্টিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও রিহ্যাব সদস্য মো. আইয়ুব আলী লিখিতভাবে নিয়মবহির্ভূতভাবে এক কোটি টাকা উত্তোলনে বিষয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে রিহ্যাব পরিচালনা পর্ষদের কাছে জানতে চিয়েছিলেন। কিন্তু কমিটি কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। এটা আরও অনেক সদস্য মৌখিকভাবে জানতে চেয়েছেন। এটা সবাই জানে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাজউকে না কি এক কোটি টাকা ঘু’ষ লাগবে, তাই তিনি (আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল) ওই টাকা উঠিয়েছেন বলে শুনেছি। কিন্তু কোনো জায়গায় যদি টাকা লাগে আর সেটি যদি পাঁচ লাখ টাকার বেশি হয়, তাহলে সেটা পরিচালনা পর্ষদে আলোচনা করে বোর্ড অনুমোদন দিলে উনি (আলমগীর শামসুল আলামিন) টাকাটা তুলবেন। কিন্তু তিনি কোনো অনুমোদন না নিয়েই বহুদিন আগে এ টাকাটা তুলেছেন।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট:

  • 77
    Shares