প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

পেঁয়াজ বাঁচাতে রাত ভোর খেত পাহারা দিচ্ছেন কৃষকরা

173
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বর্তমানে দেশে পেঁয়াজ অ’তি মূল্যবান একটি খাদ্য। দেশে সবার আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তুও এখন পেঁয়াজ। বাজারে পেঁয়াজের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তা সাধারণ মানুষকে নানা ভোগান্তিতে ফেলেছে। প্রায় রাতেই কৃষকের খেত থেকে পেঁয়াজ চু’রির মতো ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়ত। তাই চু’রি ঠেকাতে খেতে পাহারা বসিয়েছেন কৃষকেরা। গত রোববার (১ ডিসেম্বর) রাতে ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের আটি মাইঠান গ্রামে এমনই দৃশ্য দেখা যায়। দেশের এক জাতীয় দৈনিকে কৃষকের খেত পাহারা দেয়ার এই ছবি পোস্ট করা হলে তা মুহুর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়

চলতি ডিসেম্বরেই শুরু হতে যাচ্ছে ই-পাসপোর্টের কার্যক্রম। তিন ধরনের ফির বিধান রেখে ই-পাসপোর্টের (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) ফি নির্ধারণ করেছে সরকার। ই-পাসপোর্টের আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সত্যায়ন করতে হবে না। এমনকি ছবি সংযোজন ও তা সত্যায়ন করারও দরকার হবে না। তবে পাসপোর্ট পেতে থাকতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি। ই-পাসপোর্টের পৃষ্ঠাসংখ্যা, মেয়াদকাল, বিতরণের ধরন অনুসারে ভ্যাট ছাড়া সর্বনিম্ন ফি তিন হাজার ৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ফি ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে পাসপোর্টের জরুরি ফি ভ্যাটসহ তিন হাজার ৪৫০ টাকা এবং অ’তি জরুরি ফি ভ্যাটসহ ছয় হাজার ৯০০ টাকা।

আরও পড়ুন:  এবার পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আনছে বাংলাদেশ

ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ ও ১০ বছর। পাসপোর্টের পৃষ্ঠাসংখ্যাও হবে দুই ধরনের, ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠা। নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট বিতরণের পদ্ধতি তিন ধরনের—সাধারণ, জরুরি ও অ’তি জরুরি। দেশের অভ্যন্তরে সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে পু’লিশ ক্লিয়ারেন্স দিলে এবং অন্যান্য তথ্য সঠিক থাকলে পাসপোর্ট পাওয়া যাবে ২১ কর্ম’দিবসের মধ্যে। জরুরিভাবে পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে পু’লিশ ক্লিয়ারেন্স দিলে এবং অন্যান্য তথ্য ঠিক থাকলে সাত কর্ম দিবসের মধ্যে পাসপোর্ট দেওয়া হবে।

অ’তি জরুরি পাসপোর্ট ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিনের মধ্যে দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্টের আবেদনকারীকে নিজ উদ্যোগে পু’লিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ সংগ্রহ করে আবশ্যিকভাবে আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে। তবে পুরনো অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট নবায়নের ক্ষেত্রে অ’তীব জরুরি পাসপোর্ট দুই দিনে, জরুরি পাসপোর্ট তিন দিনে এবং সাধারণ পাসপোর্ট সাত দিনের মধ্যে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:  বাজারে কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি তিন হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ফি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা ও অ’তীব জরুরি ফি সাত হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি পাঁচ হাজার টাকা, জরুরি ফি সাত হাজার টাকা ও অ’তীব জরুরি ফি ৯ হাজার টাকা। এ ছাড়া ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ফি সাত হাজার ৫০০ টাকা ও অ’তীব জরুরি ফি ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি সাত হাজার টাকা, জরুরি ফি ৯ হাজার টাকা ও অ’তীব জরুরি ফি ১২ হাজার টাকা।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 5.4K
    Shares