প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

যেভাবে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন মাসুক উদ্দিন

248
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ। সম্মেলনের আগের দিন পর্যন্ত এই পদে প্রচারণা চালিয়েছেন তিনি। জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ সভাপতি ছিলেন তিনি। আর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন তারই ছোট ভাই নগর শাখার সদ্য সাবোক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ।

তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে ৫ ডিসেম্বর সম্মেলনে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি করা হয় মাসুক উদ্দিন আহমদকে। কীভাবে জেলার প্রার্থী থেকে তিনি মহানগরের সভাপতি হয়ে গেলেন তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। মহানগরের সভাপতির পদ পেয়ে মাসুক উদ্দিন আহমদও অনেকটা বিস্মিত। তিনি নিজেই জানালেন, জেলার প্রার্থী থেকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার রহস্য জানালেন।

মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, আমি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলাম। সারাজীবনই জেলার রাজনীতি করেছি। জকিগঞ্জ-কানাইঘাট সংসদীয় এলাকায় রাজনীতি করেছি। তাই এবার জেলার সভাপতি হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সম্মেলন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নেতারা সিলেটে এসে হঠাৎ করেই আমাকে মহানগরের সভাপতি পদে মনোনয়ন দাখিল করতে বলেন। দলীয় সভানেত্রী নিজেই এমন নির্দেশ দিয়েছেন বলে তারা জানান।

জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, এমন প্রস্তাব পেয়ে আমি প্রথমে বিস্মিত হই। আরও কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলি। তারা সকলেই জানান- নেত্রীই এমন নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর আমার ছোট ভাই মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে পরামর্শ করি।

সেও নেত্রীর নির্দেশ মেনে মহানগরের সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেয়ার পরামর্শ দেয়। সকলের সঙ্গে পরামর্শ করে, একেবারে শেষ মুহূর্তে, সবাই মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার প্রায় আধঘণ্টা পর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেই। এরপর তো সভাপতি পদে আমার নাম ঘোষণা করেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জননেতা ওবায়দুল কাদের।

প্রসঙ্গত, গত ৫ ডিসেম্বর সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি হন মাসুক উদ্দিন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন অধ্যাপক জাকির হোসেন। জাকির ছিলেন নগর কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। এর আগে টানা প্রায় আড়াই দশক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের দুইবারের সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান। আর ১০ বছর ধরে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আসাদ উদ্দিন আহমদ। তারা দুজনই এবার বাদ পড়লেন দলের সম্মেলনের মাধ্যমে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 44
    Shares