প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

‘জয় বাংলা’ শ্লোগান না থাকলে রাজনৈতিক দলের নি’বন্ধন বাতিল হওয়া উচিত

41
পড়া যাবে: < 1 minute

নির্বাচন কমিশনে নি’বন্ধিত যেসব রাজনৈতিক দলের ঘোষণাপত্রে জয় বাংলা শ্লোগান থাকবে না তাদের নিবন্ধন বাতিল হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জয় বাংলা ছিল আমাদের রণধ্বনি। এ শ্লোগান দিয়ে যুদ্ধ করে আমরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প’রাজিত করে বিজয় অর্জন করেছি। হাই কোর্ট জয় বাংলাকে জাতীয় শ্লোগান হিসেবে ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত নিবন্ধিত দলগুলোকে চিঠি দিয়ে তাদের ঘো’ষনাপত্রে জয় বাংলা শ্লোগান অন্তর্ভুক্ত করতে বলা।

বুধবার সন্ধ্যায় টা’ঙ্গাইল পৌরসভা আয়োজিত পাঁচদিন ব্যাপী টাঙ্গাইল পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রথম দিন প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রতিবেদন স’ম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমি ডাক্তার নই। এ ব্যাপারে বলতে পারবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মে’ডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসকরা। সেখানকার চি’কিৎসকরা যে সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাই চুড়ান্ত।পরে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় কৃষিমন্ত্রী বলেন, নয় মাস যুদ্ধ শেষে ১১

আরও পড়ুন:  *টাঙ্গাইলে ট্রাক্টর'চাপায় শি'শুর মৃত্যু*

ডি’সেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা টাঙ্গাইলকে হানাদার মুক্ত করেছিলেন।সেই যুদ্ধে একজন কোম্পানী কমান্ডার হিসেবে তিনি আগের দিন রাতে টাঙ্গাইল শহরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে স্বা’ধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে সভায় টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ স’ম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি,

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, মুক্তিযুদ্ধকালিন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রশাসক আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিম, পৌ’রসভার প্যানেল মেয়র সাইফুজ্জামান সোহেল প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে ভারতের শিল্পী মিতালী মুখার্জী গান পরিবেশন করেন।এর আগে সকালে মুক্ত দিবস উপলক্ষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন স্কুল ক’লেজের শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:  নানা দরজা বন্ধ করেন কেন? নাতি এই কথা বলার পর...

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 44
    Shares