প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

*রূপপুর বালিশকাণ্ড, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ গ্রেফতার*

96
পড়া যাবে: < 1 minute

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের বালিশকাণ্ডসহ অ’ন্যান্য দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে দু’র্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃ’হস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন প্রকৌশলী ও দু’জন ঠিকাদার।এর আগে, দুপুরে ঢাকা সমন্বিত জেলা কাযার্লয় ১ রূপপুর পারমাণবিক বিদ‌্যুৎ প্রকল্পে ১৬৯ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ৪টি মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের উ’পপরিচালক নাসিরউদ্দীন বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। এরপরই মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহিদুল কবির, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল, এস্টিমেটর ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুমন কুমার নন্দী, সহকারী প্রকৌশলী মো. তারেক, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু সাঈদ, উপ-স’হকারী প্রকৌশলী মো. রওশন আলী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তাহাজ্জুদ হোসেন, মজিদ সন্স কন্সট্রাকশন লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী আসিফ হোসেন ও সাজিন কন্সট্রাকশন লিমিটেডের স্ব’ত্বাধিকারী মো. শাহাদাত হোসেন।

প্রসঙ্গত, রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নি’র্মাণাধীন গ্রিনসিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা ও ভবনে উত্তোলন কাজে অ’স্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে বিভিন্ন গ’ণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে গত ১৯ মে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।পরে এসব অভিযোগের বিষয় গত ১৭ অক্টোবর দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়। অনুসন্ধান দলের অপর দুই সদস্য হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উ’প-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 78
    Shares