প্রচ্ছদ বিনোদন

আমেরিকায় স্থায়ী হতে যাচ্ছেন শাকিব খান

126
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

আমেরিকায় স্থায়ী হচ্ছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান।কয়েক দিন ধরেই এ গুঞ্জন উড়ে বেড়াচ্ছে এফডিসি*পাড়ায়। জানা গেছে, অভিনয়শিল্পী হিসেবে ইবি ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করেছেন এই নায়ক। তার সেই আবেদন গত ডিসেম্বরে গৃহীত হয়েছে। বেশ’কিছু সূত্র জানিয়েছে, একটি দক্ষ এজেন্সির মাধ্যমে শাকিব খান আবেদনটি করেন। যেখানে তার সবকিছু দেখাশোনা করছেন আমেরিকা’প্রবাসী নেপালি এক আইনজীবী। শাকিবের আবেদন সবুজ সংকেত পাওয়ায় এই আইনজীবী প্রত্যাশা করছেন ঘীঘ্রই তার মক্কেলের হাতে আমেরিকার গ্রিন কার্ড পৌঁছে দিতে পারবেন। এর আগে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সিনেমার শুটিংয়ের জন্য আ’মেরিকার ভিসা চেয়েছিলেন শাকিব খান।

কিন্তু বারবার ভিসার সেই আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। অবশেষে তিনি দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করা যায় সেই মর্মে গ্রিন কা’র্ডের জন্য আবেদন করেন। এ খবর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে বেশ ধাক্কা দিয়েছে। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন জনপ্রিয় এ নায়ক, তবে কী তিনি নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে হ’তাশায় ভুগছেন? দীর্ঘদিন ধরে একক রাজত্ব কায়েম করে ঢালিউড মাতিয়েছেন শাকিব। বছরে তার ছবিই কিছুটা ব্য’বসা করতে পারছে এ মন্দার বাজারে। তবে বছর বছর কমছে হল, বাড়ছে সিনেমা নিয়ে অস্থিরতা। সেসব বিষয় হয়তো হতাশ করছে শাকিবকে।

আরও পড়ুন:  *বুবলী'কেই আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চান*

বয়সও বাড়ছে, শারীরিকভাবেও প্রায়ই অ’সুস্থ হয়ে পড়ছেন তিনি। ক্যারিয়ারেরও ভাটার সময় শুরু হয়েছে। একটা সময় তো থামতে হবেই। তাই হয়তো সব দিক বিবেচনা করেই নিজের জনপ্রিয় ইমেজটা ধরে রেখে পর্দার আড়ালে চলে যেতে চান শাকিব। স্থায়ী হতে চাইছেন বিদেশে। প্র’সঙ্গত, একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশিদের মধ্যে যারা আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদন করতে চাইতেন, তাদের মাথায় প্রথমই আসত রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা।  গ্রিন কার্ড পেতে এ পদ্ধতিকেই তারা প্রধান উ’পায় বলে মনে করতেন। কিন্তু কয়েক বছর ধরে আমেরিকা সহজ একটি সুযোগ দিয়েছে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের আবেদনের জন্য।

আরও পড়ুন:  *নাচ'বেন বুবলী, দর্শক সারিতে শাকিব*

সেই সুযোগটির নাম ইবি ক্যাটাগরির ভিসা। এর মাধ্যমে যারা মেধাবী এবং দক্ষ পেশা’জীবী, তারাই আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আবেদনকারীর গুণাবলি ও দক্ষতা কাজে লাগালে আমেরিকা উপকৃত হবে বলে মনে হলে তাকে গ্রিন কার্ড দেয়া হবে। শিক্ষক, চিকিৎসক, শিল্পী, সা’হিত্যিক, ব্যবসায়ীসহ নানা ধরনের পেশাজীবীর মধ্যে যাদের নিজস্ব গবেষণাপত্র আছে কিংবা বিশেষ সম্মানসূচক পদক বা সম্মাননাপত্র পেয়েছেন তারা এই সুযোগ নিতে পারেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশের অনেকেই এ কোটার ভি’সা নিয়ে গ্রিন কার্ড পেয়েছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 48
    Shares