প্রচ্ছদ বিশ্ব সংবাদ

*বাদাম বেচে রোজগার করা মেয়েটিই স্বপ্নপূরণে পাড়ি দিবে নাসায়*

188
পড়া যাবে: < 1 minute

বাবা বাড়িতে থাকেন না। সে কারণে সংসার চালাতে হয় মেয়েকে। একাদশ শ্রেণির এই ছাত্রী বাদাম বেচে, ছাত্র পড়িয়ে যা রোজ’গার হয়, তা দিয়েই সংসার চালায়। পাশাপাশি মানসিক রোগী মা এবং ছোট ভাইয়ের দেখভালও করতে হয় ভারতের তামিলনাড়ুর জয়লক্ষ্মীকে। এতকিছু করার পরেও সে জোরকদমে চালিয়ে যাচ্ছে পড়াশোনা। আর সেই মেয়েই এবার পাড়ি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, সেটাও না’সায়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীদের সঙ্গে দেখা করতে, কথা বলতে। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান প্রিয় বিষয় জয়লক্ষ্মীর। ছোট থেকেই ইচ্ছা ছিল, পরমাণু বি’জ্ঞানী এবং ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আব্দুল কালামের মতো হবে সে।

আরও পড়ুন:  বিজ্ঞানীদের ''গোবর'' গবেষণায় নজর দিতে বললেন মন্ত্রী

অভাব*অনটন, বাধাবিঘ্ন থাকলেও নিজের স্বপ্নে একটুও চিড় ধরেনি জয়লক্ষ্মীর। বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। ইচ্ছ্ হলে টাকা পাঠান, না হলে পাঠান না। তাই সংসারের ভার তার ওপরেই। বড় হয়ে বিজ্ঞান নিয়েই পড়া’শোনা করবে বলে কোচিং ক্লাস নিয়ে একটু আধটু ইংরেজিও শিখে নিয়েছে জয়লক্ষ্মী। একেবারেই নিজের চেষ্টাতেই নাসায় গিয়ে মহাকাশচারীদের সঙ্গে দেখা করতে চলেছে সে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২০ সালের মে মাসে নাসায় যাচ্ছে সে। কিভাবে এল এই সুযোগ? জয়ালক্ষ্মী জানায়, একদিন হঠাৎ করেই কাগজের একটা খবরে চোখ আ’টকে যায়। একটি সংস্থা নাসা যাওয়ার জন্য সব শি’ক্ষার্থীদের সুযোগ দিতে একটা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে। খবরটা দেখেই আর বসে থাকতে পারিনি আমি।

আরও পড়ুন:  বঁড়শিতে উঠে এল ৪৯ কেজি ওজনের আড় মাছ!

সব কাজ ফেলে দৌড়ে বাড়ি গিয়ে প্রতি’যোগিতার জন্য ফর্ম ফিলআপ করি। নিজের মতো করে বাড়িতেই প্রস্তুতি নিতে থাকি। আর সেই পরীক্ষায় সফলও হই। তাতেও অবশ্য সব সমস্যার সমাধান হয়নি। সমস্যা এবার অন্য জায়গায়। নাসায় ঢোকার টিকিট তো পেয়ে গেছে, কিন্তু যাতা*য়াত খরচ! সেও তো অনেক টাকা। কয়েকজন শিক্ষক আর তার সহপাঠীরা মিলে পাসপোর্ট বানিয়ে দিয়েছে তার। পাস’পোর্ট অফিসারও তাকে কিছু টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন। কিন্তু সেটাও যথেষ্ট নয়। জেলা শাসকের কাছেও আর্থিক সা’হায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছে সে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 302
    Shares