প্রচ্ছদ বিশ্ব সংবাদ

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদীদের কেউ মারা যাচ্ছে না কেন

135
পড়া যাবে: < 1 minute

একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় আসাটাই যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই শীতেও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদীদের কেউ মারা যাচ্ছে না কেন, এমন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার কথা, নোটবন্দির সময় লাইনে দাঁড়িয়ে কত মানুষ মারা গিয়েছেন। কেন শাহিনবাগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদীদের কেউ মারা যাচ্ছেন না! গতকাল মঙ্গলবার কলকাতা প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, আমাকে সবথেকে বেশি অবাক করেছিল দু-তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েই কারও কারও মারা যাওয়ার ঘটনায়। কিন্তু এখন ৪-৫ ডিগ্রির কম তাপমাত্রায় বসে রয়েছে নারী ও শিশুরা। কিন্তু কেউই মারা যাচ্ছে না! কোন অমৃত আছে ওদের কাছে? আমি বিস্মিত! কোন উদ্দীপনা কাজ করছে ওদের মধ্যে?

আরও পড়ুন:  মিয়ানমার স্টাইলে গণহত্যার পুনরাবৃত্তি করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত সরকার

তিনি আরও বলেন, এটা আমাকে অবাক করছে। লোকজন শাহিনবাগে দিন-রাত শিশু ও মহিলাদের প্রতিবাদ দেখে বিস্মিত। কেউ আ’বার বলছে ওদের দৈনিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এটা হতেও পারে, নাও হতে পারে। সিএএ বি’রোধিতায় কলকাতার রাজপথে নেমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আঁকা নিয়েও কটাক্ষ করেন দিলীপ। বলেন, মুখ্য’মন্ত্রী অনেকদিন পর ছবি আঁকার সুযোগ পেয়েছেন। হতাশ হলেই মানুষ ছবি আঁকেন, গান করেন, গিটার বাজান। মুখ্যমন্ত্রী এখন হতাশ।

আসলে সিএএ বি’রোধিতায় আন্দোলনে ওঁর (মুখ্যমন্ত্রী) সঙ্গে এখন আর মানুষ নেই। তাই শিল্পী, সাহিত্যিকদের সঙ্গে সময় দিতে হচ্ছে। যাদের সমাজ ও গণআন্দোলনে কোনও প্রভাব নেই। উল্লেখ্য, শাহিনবাগের আ’ন্দোলনের প্রায় একমাস হতে চলল। এই আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে মুম্বাইয়েও শুরু হয়েছে আন্দোলন। বিরোধীদের মতে, এই আইন মুসলিমদের জন্য বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের বর্ণিত ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ভাব’মূর্তির পরিপন্থী।

আরও পড়ুন:  শরীরে গরুর গোবর মাখলেই করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 35
    Shares