প্রচ্ছদ বিনোদন

ইসলামে নিষিদ্ধ হারাম খাওয়ার কুফল পাচ্ছে চীন

362
পড়া যাবে: < 1 minute

করোনা ভাইরাস নিয়ে কিছু লিখার বিষয়ে দুইতিন ধরে ভাবছিলাম কিন্তু সময়ের অভাবে লিখা হয়ে উঠছে না। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে ইসলাম ধর্মে শিকারী ও মাংসাশী পশু, পাখি খাওয়া সম্পূর্ণ’ভাবে নিষেধ করা হয়েছে যা খাওয়ার কুফল আজ আমরা চীনে দেখতে পাচ্ছি কারণ চীনাদের খাবারের তালিকায় প্রায় সবধরণের প্রাণীর নাম আছে। আবার পানির নীচে বাসকারী (যা কখনো ডাঙ্গায় আসে না) সকল প্রকার জীব হালাল করা হয়েছে। মাংসাশী প্রাণী’গুলো হারাম করার মূল কারণ হলো একমাত্র ঐ প্রাণীগুলোই সবধরণের ঘাতক জীবানু বহন করে যা মানুষের মধ্যেও মরণব্যাধি বয়ে আনতে স’ক্ষম।

আরও পড়ুন:  ল্যাবে নমুনা পৌঁছানোর আগেই করোনার নেগেটিভ রিপোর্ট

বিজ্ঞানীরা রিসার্চ করে করোনা ভাইরাসের উৎপত্তি খুঁজে পেয়েছে। চীনের উহান প্রদেশের একটি মাংসের দো’কানে সাপ ও বাদুড়ের মাংস বিক্রি হতো। বাদুড় ঐ ভাইরাস বহণ করে, আবার সাপও বাদুড় খায়। মানুষ ঐ দুটোই খেয়েছে যার ফলস্বরূপ মানুষের শরীরে ঐ ভা’ইরাস ঢুকে পড়ে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে। বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন মাছের মধ্যে নিরীক্ষা চালিয়ে বুঝতে পেরেছে যে ঐধরণের ঘাতকজীবাণু জলের নীচে যাতা’য়াতে অক্ষম।

তাই মাছ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রামন হওয়া অসম্ভব। এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে ই’তিমধ্যে এই ভাইরাস ছ’ড়িয়ে পড়েছে এবং তাড়াতাড়ি এর প্র’তিরোধক বের না করলে আগামী তিনমাসের মধ্যেই তা ব্যাপক আকার ধারণ করে পুরো পৃথিবীময় ছড়িয়ে পড়তে পারে। আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই গজব হতে রক্ষা ক’রুন। আমীন। আল্লাহ আমদের এই আযাব থেকে হেফাযত রাখুন আমিন।

আরও পড়ুন:  সিঙ্গাপুরে করোনা ভাইরাসে এক বাংলাদেশি আক্রান্ত

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 1K
    Shares