প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

ঝালকাঠির পিপি হত্যায় জেএমবির ৫ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট

29
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ঝালকাঠির পিপি অ্যাড’ভোকেট হায়দার হোসেন হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির পাঁচ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড দিয়ে বিচারিক আদালতের রায় বহাল রেখেছেন হাই’কোর্ট। বিচার’পতি সৌমেন্দ্র সরকার ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের হাই’কোর্ট বেঞ্চ আসামিদের আপিল খারিজ করে এ মামলার ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন) গ্রহণ করে রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্র’পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ, সহ’কারী অ্যাটর্নি জেনারেল নির্মল কুমার দাস ও সৈয়দা শবনম মুশতারী। আসামি’পক্ষে ছিলেন আইন’জীবী এসএম শাহজাহান, এসএম মাহবুবুল ইসলাম, মহিনুর রহমান। পলাতক’দের পক্ষে রাষ্ট্র নি’যুক্ত ছিলেন আইন’জীবী আসাদুর রহমান। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রায়ের কথা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনা’রেল বশির আহমেদ। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝালকাঠির অতি’রিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুল হালিম পাঁচ আসামিকে মৃত্যু’দণ্ড দেন।

মৃত্যুদণ্ড’প্রাপ্তরা হলেন- রাজশাহীর বশির হোসেনের ছেলে আমিনুল ইসলাম ওরফে আমির হোসেন, বরগুনার রহিম আকন্দের ছেলে আবু শাহাদাত তানভীর, খুলনার টুট’পাড়ার মোশারেফ হোসেনের ছেলে মুরাদ হোসেন, বরগুনার তালতলা গ্রামের শফিজুদ্দিনের ছেলে বেল্লাল হোসেন ও ঢাকার উত্তর’খান এলাকার শামসুদ্দিনের ছেলে সগির হোসেন। তাদের মধ্যে আসামি বেল্লাল হোসেন ও সগির হোসেন পলাতক রয়েছেন। এ রায়ের বি’রুদ্ধে আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করে এবং মৃত্যুদণ্ডা’দেশ অনুমোদনের জন্য (ডেথ রেফারেন্স) মা’মলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। শু’নানি শেষে আসামিদের আপিল খারিজ এবং ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করে রায় দেন হাইকোর্ট। ২০০৫ সালের ১৪ নভেম্বর সকালে জেএমবির বোমা হামলায় ঝাল’কাঠি আদালতের বিচারক সোহেল আহম্মেদ এবং জগ’ন্নাথ পাড়ে নিহত হন। এ মামলায় সরকার পক্ষে মামলা প’রিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তৎকালীন সরকারি কৌঁসুলি হায়’দার হোসেন।

আরও পড়ুন:  দেশের সকল মসজিদে নারীদের নামাজের সুব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

২০০৬ সালের ২৯ মে ঝালকাঠির অতি’রিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহমদ সাত জঙ্গির ফাঁসির আদেশ দেন। জেএমবি প্রধান শায়েখ আবদুর রহমান এবং সেকেন্ড ইন ক’মান্ড সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাইসহ শীর্ষ সাত জঙ্গির ফাঁসির আদেশ কার্য’কর হয় ২০০৭ সালের ২১ মার্চ। শায়েখ আবদুর রহমান’সহ জেএমবির শীর্ষ নেতা’দের ফাঁসির আদেশ কার্য’কর হওয়ার ২০ দিন পর ২০০৭ সালের ১১ এপ্রিল মামলা পরিচালনাকারী সরকারি কৌঁসুলি হায়দার হোসেনকে গুলি করে হত্যা করে জেএমবি সদস্য’রা। এ ঘটনার পরদিন নিহতের ছেলে তারিক বিন হায়দার বাদী হয়ে ঝাল’কাঠি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের অপ’রাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) উপ-পরিদর্শক মোশারেফ হোসেন হত্যার ঘটনার প্রায় তিন বছর পর ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি জেএমবির পাঁচ স’দস্য বেল্লাল, শাহাদাত, তানভীর, মুরাদ, ছগির ও আমিরের বিরুদ্ধে আদা’লতে অভিযোগ’পত্র দাখিল করেন।

আরও পড়ুন:  ফনির প্রভাবে মধ্যরাত থেকে প্রবল ঝড় হবে

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।