প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

জেনে নিন তেলাকুচা পাতার ঔষধি গুণ

611
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

তেলা’কুচা বসত বাড়ির আশে পাশে, রাস্তার পাশে বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশ বিস্তার করে। সাধারণত চৈত্র বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীষ্ম’কালে মৌসুমি বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পু’রানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে। অবহেলিত এ লতা জাতীয় গাছটি অত্যন্ত উপ’কারী। আসুন জেনে নিই এর ঔষধি গুণ। ডায়াবেটিসঃ ডায়াবেটিস হলে তেলা’কুচার কাণ্ড সমেত পাতা ছেঁচে রস তৈরি করে আধা’কাপ পরিমাণ প্রতিদিন সকাল ও বিকালে খেতে হবে। তেলাকুচার পাতা রান্না করে খেলেও ডায়া’বেটিস রোগে উপকার হয়। জন্ডিসঃ জন্ডিস হলে তেলাকুচার মূল ছেঁচে রস তৈরি করে প্রতিদিন স’কালে আধা’কাপ পরিমাণ খেতে হবে।

পা ফোলা রোগেঃ গাড়িতে ভ্রমণের সময় বা অনেকক্ষণ পা ঝুলিয়ে বসলে পা ফুলে যায় একে শোথ রোগ বলা হয়। তেলাকুচার মূল ও পাতা ছেঁচে এর রস ৩-৪ চা চামচ প্রতিদিন স’কালে ও বিকালে খেতে হবে। শ্বাস’কষ্টঃ বুকে সর্দি বা কাশি বসে যাওয়ার কারণে শ্বাসকষ্ট (হাপানি রোগ নয়) হলে তেলাকুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে ৩-৪ চা চামচ পরিমাণ ৩ থেকে সাত দিন প্রতি’দিন সকালে ও বিকালে খেতে হবে। কাশিঃ কাশি উপ’শমে ৩-৪ চা চামচ তেলা’কুচার মূল ও পাতার রস হালকা গরম করে আধা চা-চামচ মধু মিশিয়ে ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন স’কালে ও বি’কালে খেতে হবে। স্তনে দুধ স্বল্পতাঃ সন্তান প্রসবের পর অ’নেকের স্তনে দুধ আসে না বা শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়।

এ অবস্থা দেখা দিলে ১টা করে তেলা’কুচা ফলের রস হালকা গরম করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তেলাকচুর পাতা একটু তিতে হওয়ায় পরিমাণমত স’কাল-বিকাল ১ সপ্তাহ খেতে হবে। ফোঁড়া ও ব্রণঃ এ সমস্যায় তেলা’কুচা পাতার রস বা পাতা ছেঁচে ফোঁড়া ও ব্রণে প্রতিদিন সকাল-বিকাল ব্যবহার করতে হবে। আমাশয়ঃ প্রায়ই আমাশয় হতে থাকলে তেলা’কুচার মূল ও পা’তার রস ৩-৪ চা চামচ ৩ থেকে ৭ দিন প্রতিদিন সকালে ও বি’কালে খেতে হবে। অরুচিতেঃ সর্দিতে মুখে অ’রুচি হলে তেলা’কুচার পাতা একটু সিদ্ধ করে পানিটা ফেলে দিয়ে ঘি দিয়ে শাকের মত রান্না করতে হবে। খেতে বসে প্রথমেই সেই শাক খেলে খাওয়াতে রুচি আসবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 221
    Shares