প্রচ্ছদ বিশ্ব সংবাদ

বেঁচে থাকতে চায় না ৯ বছরের শিশু

333
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

আর-দশটা স্বাভাবিক শিশু’দের মতো নয় সে। আর এতেই যেন যত আ’পত্তি! হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠে বন্ধুরা। স্কুলে গেলে করা হয় মশ’করা। অল্প বয়সে সমাজের মা’নুষের হাসি-হাট্টায় আর যেন কুলিয়ে উঠতে পারছে না ৯ বছরের শিশু কুয়া’দেন। বেঁচে থাকতে চায় না সে। তাই মায়ের কাছে শিশুর আব’দার, মা, তুমি আ’মাকে একটা দড়ি এনে দাও। আমি গ’লায় ফাঁস দিয়ে মরব। এমন হৃদয়’বিদারক ঘটনা ঘটেছে অস্ট্রে’লিয়ার ব্রিস’বনে। ছেলের এই কষ্টের কথা ক্যামেরা’বন্দি করে তা ফেস’বুকে ছেড়ে দিয়েছেন অ’সহায় মা। চেয়েছেন স’কলের সহযোগিতা। কুয়া’দেনের মা চান, বি’দ্রুপের শি’কার হয়ে আর কোনো শিশু যেন জীবনের প্রতি আ’গ্রহ হারিয়ে না ফেলে। অ’সহায় এই অস্ট্রে’লিয়ান মায়ের নাম ইয়ারা বেইলিস।

বুধ’বার (১৮ ফে’ব্রুয়ারি) পীড়াদায়ক এই ভিডিওটি ধারণ করে ফেস’বুকে ছেড়ে দেন তিনি। ভিডিওতে স্কুল পড়ুয়া শিশু’টিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, আমাকে এ’কটা দড়ি এনে দাও। আমি নিজেকে শেষ করে দেব। অত্যন্ত মানবিক আবেদন’ময়ী ভিডিওটি এ পর্যন্ত ৩০ লাখের বেশি দেখা হয়েছে। ভিডিওতে কুয়া’দেনকে আরও বলতে শোনা যায়, আমি শুধু আমার বুকে ছুরি দিয়ে আ’ঘাত করতে চাই। আমি চাই, আমাকে কেউ মেরে ফেলুক। শারী’রিক ত্রুপি নিয়ে ঠাট্টা-বি’দ্রুপ করা হলে কুয়া’দেনের মতো অ’সহায় শিশু’দের জীবনে তা যে কত বড় প্র’ভাব ফেলে সে বিষয়ে মূলত সবাইকে স’চেতন করতেই ভিডিওটি সামা’জিক যোগা’যোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছেন মিসেস বেই’লিস। ভিডিওটি একটি প্রাইভেট’কারে ধারণ করা। এতে আরও দেখা যাচ্ছে, শিশু’টি সিটে বুক গুঁজে দিয়ে অন’বরত কেঁদে যাচ্ছে। তার চোখে-মুখে অ’সহায়ত্বের ছাপ।

আরও পড়ুন:  অস্ট্রেলিয়ায় মাঝ আকাশে দুই বিমানের সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত

মা কান্না’জড়িত কণ্ঠে শিশুটির ওপর বি’দ্রুপের বিরূপ প্রভাব তুলে ধরছেন। ৬ মিনিটের ভিডিও ক্লিপ’টিতে মাকে বলতে শোনা যায়, আমি সাধারণত বিষয়’টা চেপে থাকি। কারণ এটি ব্যক্তি’গত বিষয়। তবে আর চেপে রাখতে পার’লাম না। আমি এইমাত্র ছেলে’টিকে স্কুল থেকে নিয়ে এলাম এবং দেখলাম তাকে কী’ভাবে অপ’মান করা হচ্ছে। আমি বিষয়টি প্রিন্সি’পালকে জানিয়েছি। সমাজের লোক’দের জানাতে চাই, এ রকম সামা’জিক পীড়ন আসলে জীবনে কতটা প্র’ভাব ফেলে। আমার ছেলেকে তো দেখ’ছেনই। দয়া করে আপ’নাদের শিশু’দের এ বিষয়ে শিক্ষা দিন, আপ’নার পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব’দের এ বিষয়ে শিক্ষা দিন। কারণ, তাদের মাধ্যমেই একেক’জন একেক’ভাবে আমার ছেলের মতো অপ’মানের শি’কার হবে।

আরও পড়ুন:  অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত এক কোটি ৮০ লাখ লোক

এখন আপ’নারা বুঝতে পারছেন, এসব অবুঝ শিশুরা নিজেদের কেন শেষ করে দিচ্ছে’-বলেন মিসেস বেইলিস। কুয়া’দেনের মা মিসেস বেই’লিস আদি’বাসী অধি’কার আদায়ের এক’জন সক্রিয় কর্মী। অস্ট্রে’লিয়ার ট্যাবলয়েড পত্রিকা কুরিয়ার মেইলকে জানান, তার ছেলে কুয়া’দেন এর আগেও একা’ধিকবার আত্ম’হত্যার চেষ্টা করেছে। তিন বছর আগে য’খন তার বয়স মাত্র ৬ বছর তখন সে আত্ম’হত্যার চেষ্টা চালায়। আমি তাকে বুঝি’য়েছি দেখ, তুমি যদি এক’বার চলে যাও, তা’হলে কিন্তু চির’কালের জন্য চলে যাবে। আর ফিরে আসতে পারবে না। তার’পরও সে এটা করেই যাচ্ছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 216
    Shares