প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ

38
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

জুনি’য়র কর্তৃক সিনিয়রকে মার’ধরকে কেন্দ্র করে ইস’লামী বিশ্ব’বিদ্যালয়ে ছাত্র’লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সং’ঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনি’বার (২২ ফে’ব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের জিয়া মোড় এ’লকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের প্রায় ৮-১০ জন নেতা’কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহত’দেরকে বিশ্ব’বিদ্যালয়ের মেডি’কেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে এক’জনের অবস্থা গুরু’তর বলে জা’নিয়েছেন চিকিৎসকরা।

প্রত্যক্ষ’দর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ব’বিদ্যালয়ের জিয়া’উর রহমান হলে মার্কেটিং বি’ভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষা’বর্ষের শিক্ষার্থী জেবিয়ারকে বন্ধু ভেবে পেছন থেকে ডাক দেন আইন বি’ভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষা’বর্ষের শিক্ষার্থী কামাল হোসেন। পরে জেবিয়ার সে’খানে গেলে ভুল বুঝে ডাকার কারণে দুঃখ প্র’কাশ করেন কামাল। এসময় কামাল দুঃখ প্র’কাশ করার পরও জেবিয়ার কামালের উপর কিছুটা চড়াও হন। এ’সময় জেবিয়ার কামালকে শাসান এবং পরে দেখা করতে বলেন। পরে কামাল তার বন্ধু’দের নিয়ে জিয়া হলে (১২৭) জেবিয়ারের সাথে দেখা করতে যায়।

এ’সময় তাদের মধ্যে কথা কাটা’কাটি হয়। এক পর্যায়ে জেবিয়ারকে মার’ধর করে কামাল ও তার বন্ধুরা। এ ঘটনায় ছাত্র’লীগ নেতারা ঘটনা’স্থলে এসে বিষয়টি সমাধান করেন। পরে জিয়া হলের ২০৮ নম্বর রুমে কামাল অব’স্থান করছে সংবাদ পেয়ে জেবিয়ার তার বন্ধু ইমতিয়াজ, জয়, সালমান, হামজা’সহ প্রায় ১০-১৫ জন কর্মী নিয়ে তার রুমের সামনে যায়। এ’সময় কামাল রুম থেকে বের হলে তারা দরজায় লাথি দেয় এবং জা’নালার গ্লাস ভাং’চুর করেন।

আরও পড়ুন:  কুষ্টিয়ার চরথানাপাড়ায় মিমাংসাস্থলেই হামলা, আহত-৪, থানায় মামলা দায়ের ॥ আটক-২

এর’পর কামালকে না পেয়ে তারা হল থেকে বের হয়ে আসলে জিয়া মোড় এলাকায় জিয়া হল’সহ অন্যান্য হলে থেকে আসা কামালের গ্রুপের কর্মী’দের সঙ্গে জেবিয়ারের কর্মী’দের মধ্যে ব্যাপক সং’ঘর্ষ বাধে। এসময় উভয় কর্মী’দের হাতে লাঠি’সোঠা, দেশিয় অস্ত্র দেখা যায়। এ সং’ঘর্ষে উভয় গ্রুপের প্রায় ৮-১০ জন নেতা’কর্মী আহত হয়েছেন। আহত’দের বিশ্ব’বিদ্যালয়ের মেডি’কেল সেন্টারে প্রাথ’মিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে হিমেল চাকমা নামের এক কর্মীর অবস্থা গুরু’তর হওয়ায় তাকে কুষ্টিয়া সদর হাস’পাতালে পা’ঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ক্যাম্পাসে ছাত্র’লীগের এই সং’ঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ব’বিদ্যালয়ের প্রক্টর নিরব’দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন বলে অভি’যোগ করেছেন অনেকে। সং’ঘর্ষের সময় তিনি ঘটনা’স্থলে উপ’স্থিত থাকলেও পরে ঘটনা’স্থল থেকে চলে যান এবং সং’ঘর্ষ শেষ হলে আসেন বলে জানান প্রত্যক্ষ’দর্শীরা। এ বিষয়ে বিশ্ব’বিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, সং’বাদ পেয়ে আমরা প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনা’স্থলে আসি।

আরও পড়ুন:  নির্মাণের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই গুঁড়িয়ে দেয়া হল আবরারের স্মৃতিস্তম্ভ!

ছাত্র’লীগের নেতারা নিজেরাই বিষয়টি সমা’ধান করায় আমরা কোন পদ’ক্ষেপ নেয়’নি। দীর্ঘ সময় অতি’বাহিত হওয়ার পরে পুলিশ ঘটনা’স্থল কেন আসল? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পুলিশ ফোর্স প্রধান ফটকে প্রস্তুত ছিল। পরিস্থিতি অনু’কূলে না থাকায় তারা ঘটনাস্থলে আসেনি। এ বিষয়ে ইসলামী বিশ্ব’বিদ্যালয় (ইবি) থানার ভার’প্রাপ্ত কর্ম’কর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিপ বলেন, আমাদের বিষয়টি জা’নানো হয়েছিল। আমরা ফোর্স নিয়ে প্রধান ফ’টকের সামনে ছিলাম, কিন্তু ঘটনাস্থলে যায়নি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 33
    Shares