প্রচ্ছদ বাংলাদেশ শিক্ষাঙ্গন

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৭৭.৭৭ শতাংশ

28
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৭৭.৭৭ শতাংশ

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় গতবারের চেয়ে এবার শিক্ষার্থীদের পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ-ফাইভ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ ১০টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ। গতবারের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। তবে এবার জিপিএ-ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে।

এবার জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী। গতবার এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন, যা গতবছরের তুলনায় পাঁচ হাজার ৮৬৮ জন বেশি।

রবিবার সকাল ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের অনুলিপি হস্তান্তর করার সময় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এসব তথ্য তুলে ধরেন। দুপুর একটায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মাধ্যমিক পরীক্ষার বিস্তারিত ফল তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী।

গণভবনের ফলাফল হস্তান্তরের সময় শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার আটটি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে হাসের হার ৭৯.৪০ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৪৫ জন। মাদ্রাসায় পাসের হার ৭০.৮৯, জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ৩ হাজার ৩৭১ জন। কারিগরিতে পাসের হার ৭১.৯৬ শতাংশ এবং জিপিএ-ফাইভ পেয়েছে ৪ হাজার ৪১৩ জন। এসএসসিতে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ভালো ফল করেছে। মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় ২.১৪ শতাংশ বেশি পাস করেছে।

দশ বোর্ডে এবার মোট ২০ লাখ ২৬ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করে ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ১০৪ শিক্ষার্থী।

একজনও পাস করেনি এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গতবারের চেয়ে বেড়েছে

২০১৮ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৯ টি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করতে পারেনি।

মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষ্যে রবিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ বছর শূণ্য পাশ করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৯ টি। মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় গত বছর ৯৩টি প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছিল। সেই হিসাবে এবার শতভাগ ফেলের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ১৬টি।

এদিকে, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

গত বছর শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২ হাজার ২৬৬ টি হলে এবার তা কমে দাড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭৪ টি।

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: