প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

বজ্রপাতে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির দুঃখ প্রকাশ

১৯ বার দেখা হয়েছে
বজ্রপাতে প্রাণহানিতে রাষ্ট্রপতির দুঃখ প্রকাশ
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ

প্রাকৃতিক নানা দুর্যোগ মোকাবিলা করেই হাওরবাসীকে টিকে থাকতে হয়। গত বছর আগাম বন্যায় হাওরে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। শুক্রবার (১১ মে) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামের নিজ বাড়ি প্রাঙ্গণের অস্থায়ী মঞ্চে সমবেত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেছেন, এ বছর হাওরে বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু বৈরি আবহাওয়ার কারণে ফসল তুলতে খুব কষ্ট করতে হচ্ছে কৃষকদের। এসময় হাওরে বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের পর একদিনের সফরে এসে মোঃ আবদুল হামিদ কামালপুর গ্রামের বাড়ির মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর রাষ্ট্রপতি তার বাবা হাজী মোঃ তায়েব উদ্দিন এবং মা তমিজা খাতুনের কবর জিয়ারত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোঃ সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মোঃ মাশরুকুর রহমান খালেদ, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হক নুরু,

মিঠামইন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাশীদ ভূইঞা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামরুল আহসান শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম. এ. আফজাল, পিপি অ্যাডভোকেট শাহ্‌ আজিজুল হক, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসলিমা আহমেদ পলি, সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও রাষ্ট্রপতির বোন আছিয়া আলম, বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ শরিফ কামাল প্রমুখ।

এর আগে বেলা সোয়া ১২টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে মিঠামইন হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন রাষ্ট্রপতি। পরে রিকশায় চড়ে তিনি উপজেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে যান। সেখানে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি রিকশায় চড়ে মিঠামইন বাজার ও ইউনিয়ন পরিষদের নতুন কার্যালয় পরিদর্শন করেন। সফর শেষে বিকেল ৪টার দিকে তিনি হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে মিঠামইন ত্যাগ করেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এমএইচপি /এন

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন: