প্রচ্ছদ ভিন্ন স্বাদের খবর

গার্লস হোস্টেলে মেয়েরা এই ৬টি ‘নি*ষিদ্ধ’ কাজ করে থাকে

191
ছবি: ইন্টারনেট

পড়াশোনা হোক, কিংবা কর্মক্ষেত্র—মেয়েরা আজ সর্বত্রই ছেলেদের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে। পেশা কিংবা লেখাপড়ার প্রয়োজনে আজকের মেয়েদের অনেক সময়েই নিজেদের আত্মীয়স্বজনের থেকে দূরে অন্য কোনও শহরে গিয়ে থাকতে হয়। সে সময়ে প্রধানত হোস্টেলই হয় তাদের আশ্রয়।

গার্লস হোস্টেল বা লেডিজ হোস্টেল মানেই মেয়েদের নিজস্ব জগত। পুরুষদের প্রবেশ সেখানে নিষিদ্ধ। ফলে হোস্টেলের বাইরের দুনিয়ায় যে সমস্ত কাজ মেয়েদের ক্ষেত্রে ‘নি*ষিদ্ধ’, ‘অ*শোভন’ কিংবা ‘অদ্ভুত’ বলে বিবেচিত হয়, তার অনেকগুলিই বিন্দাস চলতে পারে লেডিজ হোস্টেলের ভিতরে।

কী সেই সমস্ত কাজ? হোস্টেলে দীর্ঘ দিন থেকেছেন, এমন কিছু বাঙালি মেয়ে জানালেন সেই প্রশ্নের উত্তর—

১. অ*ন্তর্বাস পরে ঘুমনো: গ্রীষ্মপ্রধান দেশে স্ব*ল্প পোশাকে ঘুমনো প্রায় সব সময়েই আরামদায়ক। কিন্তু বাবা-মার সঙ্গে থাকলে স্ব*ল্পবসনা অবস্থায় ঘুমনোর সুযোগ মেয়েরা সাধারণত পায় না। কিন্তু হোস্টেলে তেমনটা করতে বাধা নেই। কাজেই অনেক সময়ে, বিশেষত টায়ার্ড থাকলে, শুধু প্যা*ন্টি আর ব্রা*s পরেই ঘুমিয়ে পড়ে মেয়েরা।

২. বিচিত্র খাদ্যাভ্যাস তৈরি করা: হোস্টেলে যে খাবার দেওয়া হয়, অনেক সময়েই তা মুখে তোলার যোগ্য হয় না। কোনও কারণে খেতে একটু রাত হয়ে গেলে, মেলে না কোনও খাবারই। ফলে তখন হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা-ই খেয়েই মেটাতে হয় খিদে।

ডাল-ভাতের সঙ্গে চানাচুর, কিংবা ঝুড়িভাজা দিয়ে রুটি খাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে হোস্টেল-নিবাসী অনেক মেয়েরই। আর ম্যাগি তো হোস্টেল-জীবনে খিদের মুহূর্তে প্রায় অনিবার্য সঙ্গী হয়ে থাকে।

৩. বাথরুম নিয়ে ঝ*গড়া: হোস্টেল মানেই যত সংখ্যক বাসিন্দা, তার চেয়ে অনেক কম সংখ্যক বাথরুম।

আরও পড়ুন:  গেটে ঝুলছে দৈ*ত্যাকৃতি সরীসৃপ! বাড়ি ঢুকতে গিয়ে আঁ*তকে উঠলেন মালিক

কাজেই বাথরুমে যাওয়ার তাড়া থাকলেও সব সময়ে বাথরুম খালি মেলে না। সেই সময়ে যে মেয়ে বাথরুমটি এনগেজ করে রেখেছে, সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে তার উপরেই। তাকে বেশি তাড়া দিলেই শুরু হয় চেঁচামিচি, লেগে যায় ঝ*গড়া।

৪. দল বেঁধে প*র্নফ ফিল্ম দেখা: ইন্টারনেট, ল্যাপটপ কিংবা স্মার্টফোন আজকের দিনে কার্যত সকলের হাতে হাতে পৌঁছে দিয়েছে প*র্নফ ফিল্মকে। বাবা-মায়ের সঙ্গে যখন মেয়েরা থাকে, তখন সব সময়ে নিশ্চিন্তে প*র্নফ ফিল্ম দেখার সুযোগ মেলে না। বন্ধুদের সঙ্গে বসে চুটিয়ে প*র্নের আনন্দ উপভোগের সুযোগ তো হয় না বললেই চলে। কিন্তু হোস্টেল-জীবনে সেই কাজ করার বাধা নেই কোনও।

৫. অল্পসল্প নে*শা করা: সমাজ যতই ‘আধুনিক’ হয়ে থাকুক, মেয়েদের ম*দ খাওয়া বা নে*শা করাকে এখনও মোটেই ভাল চোখে দেখে না সমাজের একটা বড় অংশ। কিন্তু গার্লস হোস্টেলের চার দেওয়ালের অন্দরে মেয়েদের অবাধ স্বাধীনতা। ফলে হোস্টেলের ঘরে মাঝেমধ্যে নে*শা করতে তাদের বাধা নেই কোনও।

৬. মেক-আপ কিট নিয়ে ঝ*গড়া: ঘর একটা, ঘরে ড্রেসিং টেবিল একটা, কিন্তু বাসিন্দা হয়তো চারটি মেয়ে। একটি ড্রেসিং টেবিলেই জমা হচ্ছে তাদের মেক-আপের যাবতীয় জিনিসপত্র। ফলে ‘তুই আমার লিপস্টিকটা নিলি কেন?’, ‘মোটেই না, বরং তুই-ই আমার আই লাইনারটা ইউজ করেছিস’—এই জাতীয় ঝ*গড়া গার্লস হোস্টেলে লেগেই থাকে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

শেয়ার করুন :
  • 11
    Shares
  • 11
    Shares
Loading...

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন

Loading Facebook Comments ...