প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি

যে ২৫টি আসনে জয়ী হতে হলে প্রার্থীকে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে

736
যে ২৫টি আসনে জয়ী হতে হলে প্রার্থীকে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে
ছবি: ইন্টারনেট

১৯৭৯ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। নির্বাচন পক্ষপাতমূলক হলেও সেসময় আওয়ামী লীগ ৪২টি আসনে জয়লাভ করে। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগ ৯১টি আসনে জয়ী হয়। এরপর ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসে।

২০০১ সালে আওয়ামী লীগ পায় ৫৬টি আসন। ২০০৮ সালে বড় জয়ের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসে। এরপর দীর্ঘ ১০ বছর ধরে দেশ পরিচালনার মাধ্যমে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

 

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে এমন আসন রয়েছে ২৫টি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পেয়েছে বাংলা ইনসাইডার।

গবেষণায় দেখা গেছে, অন্তত ২৫টি আসনে মাত্র ২০০ থেকে ১০,০০০ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা জয় পেয়েছে। একারণে ধারণা করা হচ্ছে, এই আসনগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর যেকেউই জয়ী হতে পারে। প্রধান দলগুলো মোটামুটি সবাই শক্তিশালী এসব এলাকায়।

 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর যে যেকোনো সময় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে ৩০০ আসনের সীমানা পুননির্ধারণের কাজ সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটকেন্দ্রের চূড়ান্ত তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত করা ঘোষণাপত্রে আপত্তি করেছেন মাহী

নির্বাচন কমিশন এখন নির্বাচনের তোড়জোড় চালালেও রাজনৈতিক দলগুলো হিসেবের খাতা খুলে বসেছে। বিভিন্ন আসনে নিজেদের অবস্থান পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে যাচাই করছে রাজনৈতিক দলগুলো। বাংলা ইনসাইডারের বিশ্লেষণ মতে, অন্তত ২৫টি আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি বা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে যেকেউ নির্বাচনে দাঁড়ালেও জয়ী হতে হলে প্রার্থীকে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। এই আসনগুলোর কথাই আজ জানানো হলো:

 

যে ২৫টি আসনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে:

জাতীয় নির্বাচনে বেশ কিছু আসন রয়েছে, যেগুলোতে প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে দেখা যায়। এই আসনগুলোতে ভোট ব্যবধান এতই কম যে, কোন দল জয়ী হবে তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। এমন আসন সংখ্যা রয়েছে ২৫টি। এগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৬,

গাইবান্ধা-৫, বগুড়া-১, সিরাজগঞ্জ-২, সিরাজগঞ্জ-৫, মেহেরপুর-২, কুষ্টিয়া-৩, ঝিনাইদহ-৪, যশোর-১, যশোর-৪, মাগুরা-২, বাগেরহাট-২, খুলনা-২, সাতক্ষীরা-৩, বরিশাল-৩, বরিশাল-৪, বরিশাল-৫, পিরোজপুর-১, নারায়ণগঞ্জ-৪, সিলেট-২, কুমিল্লা-৭, কুমিল্লা-৯, চাঁদপুর-৪ ও লক্ষ্মীপুর-২।

শেয়ার করুন :
  • 210
    Shares

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন

Loading Facebook Comments ...