প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে স্তন ও গোপাঙ্গে ছুড়ি ঢুকিয়ে গৃহবধূকে হত্যা!

90
পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে স্তন ও গোপাঙ্গে ছুড়ি ঢুকিয়ে গৃহবধূকে হত্যা!
প্রতীকী ছবি

কুমিল্লার মুরাদনরের ধনিরামপুর এলাকার গোমতী নদীতে ক্ষত-বিক্ষত মহিলার লাশ আর কারও নয়, সে দেবিদ্বার উপজেলার বাঙ্গরী গ্রামের হারুনুর রশিদের মেয়ে আকলিমা আক্তারের (৩২)। প্রাথমিক ময়নাতদন্তে বের হয়ে এসেছে তাকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যার চিত্র। পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে আকলিমার নাক, একটি স্তন, গোপাঙ্গ কেটে গামছা ও ব্যবহৃত চাকু ডুকিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে এবং লাশ গোমতী নদীতে ফেলে দেয় তারই স্বামী।

পরে দেবিদ্বার উপজেলা পৌর এলাকার পুরান বাজার এলাকা থেকে চারদিন আগে নিখোঁজ গৃহবধূ আকলিমা বেগমের (৩২) অর্ধ গলিত মরদেহ পাওয়া যায় মুরাদনগর উপজেলা এলাকার গোমতি নদীতে।

এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘাকত মাদকাসেবী স্বামী পলাতক রয়েছে। গত বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মুরাদনগর উপজেলার ধনিরামপুর গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া গোমতি নদী থেকে গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। নিহত আকলিমা বেগম (৩২) দেবিদ্বার উপজেলার পৌর এলাকার পুরান বাজারের গ্রামের মৃত আবদুল হাকিম’র পুত্র রবিউল আউয়ালের স্ত্রী। আকলিমা বেগমের বাড়িও দেবিদ্বার উপজেলার বাঙ্গরীতে। রবিউল আউয়াল ১৩ বছর আগে আকলিমাকে ইসলামী সরিয়া মোতাবেক বিয়ে করেন।

মামলা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়- ঘাকত মাদকাসেবী স্বামী রবিউল আউয়াল আকলিমা বেগম’র অনুমতি ছাড়াই শিল্পি নামে অন্য একটা মহিলাকে বিয়ে করেছেন। এরপর থেকে আকলিমা বেগম’র খোঁজ খবর কমই নিতেন রবিউল। আর তাই আকলিমা বেগম নিজের জীবিকা অর্জনের জন্য দেবিদ্বার স্কোয়ার হাসপাতালে চাকরি নেয়। কিন্তু ঘাকত মাদকাসেবী স্বামী রবিউল আউয়াল তার টাকা পয়সা নিয়ে যেত। শিল্পীকে নিয়ে একক সংসার করার পথের কাটা ছিল আকলিমা। আর তাই আকলিমাকে ওই দিন পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে আকলিমার নাক, একটি স্তন, গোপাঙ্গ কেটে গামছা ও ব্যবহৃত চাকু ডুকিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে এবং লাশ গোমতী নদীতে ফেলে দেয়। এ বিষয়ে রবিউল আউয়ালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে কাজ করছেন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী
আকলিমা আক্তার (বামে) ঘাতক রবিউল আউয়াল (ডানে)
আকলিমা আক্তার (বামে) ঘাতক রবিউল আউয়াল (ডানে)

মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাদল জানান, ৮ তারিখ সন্ধার পর থেকে আকলিমা বেগমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। ৯ তারিখ তার স্বামী দেবিদ্বার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে। চারদিন পর তার মরদেহ মুরাদনগর উপজেলায় গোমতি নদীতে পাওয়া যায়। তার দেহ পচে গলে গেছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট নিহতের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের ভাই নাসির উদ্দিন’র অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা হয়েছে।

শেয়ার করুন :
  • 4
    Shares

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন

Loading Facebook Comments ...