প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল

59
সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল
ছবি : সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কোটা বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানান। তিনি জানান, এ বিষয়ে এখন প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বেতন কাঠামোর নবম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো কোটা থাকবে না। তবে আগের (১৪তম গ্রেড থেকে ২০তম গ্রেড) তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বহাল থাকবে।’

উল্লেখ্য, সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতিতে সংস্কারের দাবিতে গত এপ্রিলের শুরুতে সড়কে অবস্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন শুরু করে সারাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। দেশ জুড়ে দেখা দেয় অচলাবস্থা। এ অবস্থায় ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে সব ধরনের কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিষয়টি পর্যালোচনা করতে ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে গঠিত কোটা পর্যালোচনা কমিটি সরকারি চাকরির নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পযন্ত, অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোনো কোটা না রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সুপারিশ জমা দেয়। ওই কমিটির সুপারিশের প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়।

আরও পড়ুন:  সৎ , চরিত্রবান ও যোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেয়া উচিত

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।

কোটার পরিমাণ ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে কয়েক মাস আগে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের উদ্যোগ নিলো সরকার।

শেয়ার করুন :
  • 27
    Shares

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন

Loading Facebook Comments ...