প্রচ্ছদ বাংলাদেশ

কলরেট বাড়ানোয় মোবাইলে কথা বলার হার কমেছে

0

নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল বা মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা চালু উপলক্ষে সর্বনিম্ন কলরেট বাড়ানোয় মোবাইলে কথা বলার হার কমেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বিটিআরসির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন কলরেট বৃদ্ধি ও অফ-নেট এবং অন-নেট উঠিয়ে দেওয়ায় আগের তুলনায় দিনে কথা বলার হার কমেছে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগের তুলনায় দিনে চার দশমিক ৮ কোটি মিনিট কল কমেছে। আগে দিনে গড়ে ৭৯ দশমিক ৬ কোটি কল হতো। এখন হয় ৭৪ দশমিক ৮ কোটি মিনিট।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিজস্ব অপারেটরের মধ্যে কল আদান-প্রদান বা অন-নেট কলের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে। হিসাব অনুযায়ী, আগে দিনপ্রতি ৬৩ দশমিক ৮ কোটি মিনিট অন-নেট কল হতো। এখন সেখানে ৭ কোটি মিনিট কমে হয়েছে ৫৬ দশমিক ৮ কোটি মিনিট। এই হিসাবে, অন-নেটের ক্ষেত্রে কল কমেছে ১০ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে কল বা অফ-নেটে কল করার চিত্র কিছুটা ভিন্ন। অফ-নেটে কল করার হার বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ।

আরও পড়ুন:  আবারও বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমার বাহিনীর গুলিবর্ষণ

আগে যেখানে দিনে ১৫ দশমিক ৮ কোটি মিনিট অফ-নেট কল হতো, সেখানে এখন ১৮ কোটি মিনিট অফ-নেট কল হয়ে থাকে।

অতিরিক্ত খরচ এড়াতে গ্রাহকরা কথা বলার হার কমিয়েছে বলে মনে করছেন বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের মতে, নতুন এই রেটের কারণে ছোট অপারেটররা প্রতিযোগিতায় আসার সুযোগ পাচ্ছে এবং নেটওয়ার্ক ও গ্রাহকদের সুবিধা দিতে বিশেষ নজর দিতে বাধ্য হচ্ছে সব অপারেটর।

চলতি বছরের ১৩ আগস্ট সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা এবং সর্বোচ্চ ২ টাকা কলরেট করার নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি, যা এর আগে ছিল ২৫ পয়সা ও ২ টাকা।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৪ আগস্ট থেকেই দেশের অপারেটররা নতুন করে কলরেট নির্ধারণ করে দেয়।

শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন

Loading Facebook Comments ...