প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি

২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় সরকারের পতিক্রিয়া

117
২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় সরকারের পতিক্রিয়া
ছবি : সংগৃহীত

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আজকের রায়ে বিচারের ইতিহাসে মাইলফলক রচিত হলো বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেন, রায়ে স্বস্তি বোধ করছি।

বুধবার গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের পর গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পুরো রায় পড়ার পর যদি দেখা যায়, কেউ সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্ত হয়নি তবে তার যাবজ্জীবন এর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।

২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডের জন্য আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, হামলার হোতা তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল।

বুধবার রায় ঘোষণার পর সচিবালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। মামলার বিচার শেষ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, রায়ের কাগজপত্র পাওয়ার পরে আমরা চিন্তা-ভাবনা করব যে এই রায়ে তারেক রহমানকে এবং আরও দুজন- কায়কোবাদ এবং হারিছ চৌধুরীকে যে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছে সেটার জন্য আমরা উচ্চতর আদালতে ফাঁসির জন্য আপিল করব।

আইনমন্ত্রী বলেন, এই হামলার মূল নায়ক তারেক রহমান। তিনি আওয়ামী লীগকে ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সপাটে শেষ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের নায়ক ছিলেন। মূল হোতা তারেকের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল।

২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

আরও পড়ুন:  আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাজনৈতিক দল

বুধবার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‌২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা হত্যা ছিল ইতিহাসের ঘৃণ্য সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। একটি রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার এ হামলা-হত্যাকাণ্ড পরিচালিত হয়েছিল। ইনু বলেন, “এই ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের বিচারের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হল।”

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ১৪ বছর আগে ২১ আগস্টের সেই নারকীয় গ্রেনেড হামলায় রায়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় আওয়ামী লীগ। তবে অখুশিও নয়।

রায়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, রায়ে হামলার মাস্টারমাইন্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট হওয়া উচিত ছিল।

তিনি বলেন, মুফতি হান্নান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলে গেছেন- হামলায় তারেক রহমানের অনুমতি ছিল।

‘এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তখনকার সরকার আলামত নষ্ট করে দিয়েছে। খালেদা জিয়া তখন ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু সরকার চালাচ্ছিল হাওয়া ভবন,’ বলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, তখনকার সরকার এফবিআইকে তদন্ত করতে দেয়নি। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকেও আসতে দেয়নি।

শেয়ার করুন :
  • 30
    Shares

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন

Loading Facebook Comments ...