প্রচ্ছদ জাতীয় স্বাধীনতা ভালো, তবে বালকের হাতে স্বাধীনতা মানায় না

স্বাধীনতা ভালো, তবে বালকের হাতে স্বাধীনতা মানায় না

125
স্বাধীনতা ভালো, তবে বালকের হাতে স্বাধীনতা মানায় না
ছবি : সংগৃহীত
পড়া যাবে: < 1 minute
advertisement

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যা যা দরকার তার সবই সরকার করেছে। তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে কারো মুখ চেপে ধরিনি, কারো কথা বলায় অধিকার কেড়ে নেই নি, বাধা দেইনি।

advertisement

আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও দুর্ঘটনাজনিত আহত সাংবাদিক ও নিহত ১১৩ জন সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের মাঝে ৮৫ লাখ টাকা অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।এ সময় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে ২০ কোটি টাকা অনুদান ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও এ কল্যাণ ট্রাস্টে মিডিয়া মালিকদের সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৯৬ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন দেশে শুধু সরকারি একটি টিভি চ্যানেল ও একটি রেডিও ছিল। আমরা টেলিভিশন চ্যানেল, সংবাদপত্র ও রেডিও বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিই। তখন উদ্দেশ্য ছিল একটাই, সেটি হলো অবাধ তথ্য প্রবাহ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

আরও পড়ুন:  আমেরিকার চেয়ে দারিদ্র্যের হার কমাতে হবে

তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা সাংবাদিকদের জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। আমরাও সেটি বজায় রেখেছি। তাঁর মতে, স্বাধীনতা ভালো, তবে বালকের হাতে স্বাধীনতা মানায় না।

সাংবাদিকদের কল্যাণে বঙ্গবন্ধুর নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু বেকার সাংবাদিকদের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তিনি সাংবাদিকদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন। অথচ তারাই পঁচাত্তরের পর বঙ্গবন্ধুর সমালোচক হয়ে উঠেছিল। তাঁরা বলা শুরু করেছিলো যে জাতির পিতা গণমাধ্যম রাষ্ট্রীয়করণ করে স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছেন। অথচ তাঁদের গণমাধ্যম পরিচালনার মতো অবস্থা কিন্তু তখন ছিল না।

দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ও গঠনমূলকভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান প্রাধানমন্ত্রী। সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাবার কথা উল্লেখ করে আক্ষেপও করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তবে কোনো ধরনের নেতিবাচক মন্তব্যের তোয়াক্কা না করে সুষ্ঠুভাবে নিজ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি; এমনটিও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:  না জানিয়ে ক্রিকেটাররা আন্দোলনে কেন?

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রহমত আলী এমপি প্রমুখ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

advertisement