প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

খাওয়ার লবনে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব !

54
খাওয়ার নুনে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব
ছবি: পিক্সঅ্যাবে
পড়া যাবে: < 1 minute

শুরু হয়েছিল ডিম দিয়ে। তার পরে আটা, বাঁধাকপি— সবেতেই পাওয়া গিয়েছে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব। মূলত বাংলার বাজারেই পাওয়া গিয়েছে এমন প্লাস্টিকের খাদ্যবস্তুগুলি।

এ বার প্লাস্টিক নিয়ে তথ্য পাওয়া গিয়েছে বম্বে আইআইটি থেকে। সংস্থার ‘সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ (সিইএসই)-এর অধ্যাপক অমৃতাংশু শ্রীবাস্তব ও চন্দনকৃষ্ণ শেঠ তাঁদের গবেষণার এমনই তথ্য দিয়েছেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই গবেষণার কথা প্রকাশিত হয়েছে গত অগস্ট মাসে, ‘এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড পলি‌উশন রিসার্চ’ নামে একটি জার্নালে।

আইআইটি-র দুই গবেষকের মতে, বেশ কিছু ব্র্যান্ডেড কোম্পানি, টেবল-সল্ট তৈরির সময় তাতে প্লাস্টিকের অংশ মেশায়। মাত্র ৫ মিলিমিটার ব্যাসার্ধের এই টুকরোগুলি তৈরি হয় শিল্প বর্জ্য থেকে, যা সমুদ্রের জলে পাওয়া যায়।

তাঁরা যে নমুনা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালান, তাতে ৬২৬টি ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গিয়েছে। এবং তার মধ্যে ৬৩ শতাংশ প্লাস্টিকের টুকরো। বাকি ৩৭ শতাংশ প্লাস্টিকের ফাইবার।

গবেষকদের মতে, এক জন মানুষ প্রতি দিনে যা লবন খায় তাতে বছরে তার শরীরে আনুমানিক ০.১১৭ মিলিগ্রাম মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে।

শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি একেবারেই কাম্য নয়। লবন থেকে এই প্লাস্টিক কণার প্রায় ৮৫ শতাংশই বাদ দেওয়া যায় বলে জানিয়েছেন আইআইটি-র গবেষকরাই। নুন ব্যবহারের আগে ছেঁকে নিলে বাদ দেওয়া যায় প্লাস্টিক কণাগুলি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি