প্রচ্ছদ অপরাধ

পাবনায় সপ্তম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

84
পাবনায় নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ
প্রতীকী ছবি
পড়া যাবে: < 1 minute

পাবনার সুজানগরে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষিতা একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীর বড় বোন শুক্রবার সুজানগর থানায় আনাই খাঁ (৩৫) এবং নায়ব আলী (৩৪) নামের ২ যুবককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর শুক্রবার বিকালে সুজানগর থানা পুলিশ আনাই খাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আনাই সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর খাপাড়া এলাকার মৃত জয়নাল খার ছেলে। অপর আসামি নায়েব আলী এখনো পলাতক রয়েছে। নায়েব আলী সুজানগর পৌরসভার কাউন্সিলর সাহেবুল হাসানের ছোট ভাই।

আরও পড়ুন:  মৃ*ত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শিশুটি, চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা প্রয়োজন

মামলার বিবরণে স্বজনদের দেয়া তথ্যে জানা যায়, ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীর বাড়ি নাটোর জেলায়। সে সুজানগরে বড় বোনের বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করে আসছে।

সুজানগর পেরৈসভার ভবানীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ও সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র সজিব হোসেনের সঙ্গে ওই স্কুল ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মেয়েটি ২০ হাজার টাকা এবং কিছু সোনার গহনা নিয়ে সজিবের সঙ্গে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। পথে ওই ২ যুবক তাদেরকে ধরে নিয়ে বিয়ে দেয়ার কথা বলে স্থানীয় কাউন্সিলর সাহেবুলের ছোট ভাই নায়েব আলীর বাড়িতে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন:  নিয়োগ পরীক্ষায় ফেল করায় পরও সাবেক ছাত্রলীগ নেতার জন্য মন্ত্রী-এমপির সুপারিশ!

পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে নায়েব আলী এবং আনারসহ ৬/৭ জন মিলে মেয়েটিকে গণধর্ষণের করে। এসময় তার কাছ থেকে বিয়ের জন্য সঙ্গে আনা ২০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৩ ভরি সোনা কেড়ে নেয়।

খবর পেয়ে মেয়েটির স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার পাবনা জেনারেল হাসাপাতালে ভর্তি করে।

সুজানগর থানার ওসি শরিফুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এজাহারে ২ জনের নাম থাকলেও আরো ৩/৪ জন ছিল। কিন্ত মেয়েটি তাদের নাম পরিচয় বলতে পারছেনা।

ওসি আরও জানান, শুক্রবার আসামি আনাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি