প্রচ্ছদ অপরাধ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় চক্রের ৪ তরুণী গ্রেফতার

120
প্রেমের ফাঁদে ফেলে অর্থ আদায় চক্রের ৪ তরুণী গ্রেফতার
প্রতীকী ছবি
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

নওগাঁয় ধনাঢ্য পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করে প্রেমের আহ্বান জানিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে বিশেষ কৌশলে বেকায়দায় ফেলে অর্থ আদায়ের মতো প্রতারক চক্রের ৪ তরুণী ও তাদের সহযোগী ৪ যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

এই চক্র বেশ কিছুদিন ধরে নওগাঁ শহরের বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে এই অপকর্ম করে আসছিল।অবশেষে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে একজনের অভিযোগের ভিত্তিতে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ (দক্ষিনপাড়া) এলাকায় অভিযান চালিয়ে মৃত শহিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আজ শুক্রবার সকালে তাদেরকে নওগাঁ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো পার-নওগাঁ দক্ষিনপাড়া এলাকার মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে শান্তা খাতুন (৩০), নিপা খাতুন (৩২) ও সন্ধ্যা খাতুন (১৯), বগুড়া জেলাধীন আদমদিঘী থানার কেল্লা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে রিয়া খাতুন, সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ মন্ডলের ছেলে হারুন মন্ডল (৩৬), আজাহার আলীর ছেলে মো. আরিফ হোসেন (২৫), মো. আফজাল হোসন মোল্লার ছেলে নুর ইসলাম নোবেল (২০) এবং আব্দুস সালামের ছেলে মো. আশিক (১৯)।

আরও পড়ুন:  টেক্সাসের ‘বাদশাহ’, দাম ৮ লাখ

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নওগাঁ শহরের বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকার শিউলী ম্যানসনের চতুর্থতলায় ভাড়া থাকাকালীন সময় মঙ্গলপুর গ্রামের জনৈক রফিকুল ইসলামকে এমন ফাঁদে ফেলে নগদ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে এবং ৮ লাখ টাকা দাবী করে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এদিন, শহরের একটি ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের সহকারী পরিচালককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাড়িতে ডেকে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের কৌশল অবলম্বন করে। কৌশলে তিনি থানায় জানালে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অফিসার্স ইনচার্জ মো. আব্দুল হাইয়ের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

নওগাঁ সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো. আব্দুল হাই জানান, গ্রেফতারকৃত শান্তা, নিপা, সন্ধ্যা ও রিয়া নামের মেয়ের সহযোগিতায় যে কোন ধনাঢ্য ব্যক্তিকে টার্গেট করে মোবাইল ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তাদের প্রথমে প্রেমের অফার দিয়ে বাড়িতে ডাকে। এই ডাকে কেউ কেউ সাড়া দিয়ে ফেঁসে যায়।

আরও পড়ুন:  দোতলা মাটির বাড়ি তাও আবার ১০৮ কক্ষের

তাদের বাড়িতে ডেকে এনে ঘরের দরজা বন্ধ করে উভয়ে বিবস্ত্র হয়। তারপর ছেলে সহযোগীদের ফোন করে। তারা এসে দরজা নক করে ভিতরে প্রবেশ করে। তাদের বিবস্ত্র অবস্থায় বিভিন্ন আঙ্গিকের ছবি তোলে। সেই ছবি ফেসবুকে বা নানাভাবে প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে।