প্রচ্ছদ বাংলাদেশ

অনন্তর বিরুদ্ধে শ্রমিকদের অভি’যোগ তাদের কাজে নামাতে বাধ্য’ করা হচ্ছে

53
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ঢালিউড সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক অনন্ত জলিল এক’জন পোশাক প্রস্তুত কারক ব্যবসায়ীও। তার মালিকা’নাধীন এ জে আই গ্রুপের একটি গার্মেন্টস মে দিবসেও খোলা রাখা হয়েছিল। অনন্তর বিরুদ্ধে শ্রমিকদের অভি’যোগ তাদের কাজে নামাতে বাধ্য’ করা হয়েছে। শ্রমিকদের বিক্ষো’ভের সংবাদও গণমাধ্যমে প্রকা’শিত হয়। এদিকে মে দিবসে কার’খানা খোলা রাখার ব্যাখ্যা দিলেন অনন্ত জলিল। সামাজিক যোগা’যোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই ঘটনাকে উদ্দেশ্য’প্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।

অনন্তর বিবৃতি হুবহু তুলে ধরা হলো, ‘আমি নিঃস্বার্থ’ভাবে বিভিন্ন জায়’গায় সাহায্য সহ’যোগিতা করি। বর্তমানে সব জায়গায় করোনা মহা’মারিতে পিপিই এবং মাস্কের দুষ্প্রাপ্যতা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে যারা চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত তাদের এখন অত্যন্ত জরুরি পিপিই এবং মাস্ক। তাই কস্টিং ‘প্রাইজের কমে আমার ফ্যাক্টরি থেকে আমি পিপিই এবং মাস্ক তৈরির অর্ডার নেই। গত’কালকেই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল ছিল যে, আজকে পয়লা মে ‘শ্রমিক দিবস। ছুটির দিনে যারা ৪ ঘণ্টা ডিউটি করবে তারা ৮ ঘণ্টার বেতন পাবে। কারণ এই সময় মাস্ক ও পিপিই বানা’নো অত্যন্ত জরুরি। মান’বতার এই কাজে এগিয়ে আসতে চায় ৩০০ থেকে ৪০০ জন কর্মচারী। শুধুমাত্র তারাই আজকে সকাল থেকে ডিউটি শুরু করে।

এগারোটার সময় কিছু বহিরাগ’ত মানুষ কিছু সাংবাদিক নিয়ে এসে বিশৃঙ্খলা শুরু করার চেষ্টা করে‌। তাই আমরা তিন ঘণ্টা পরেই ছুটি ঘোষণা করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকে মহান মে দিবস শ্রমিক দিবস। বিগত ২২-২৩ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছি শ্রমিকদের নিয়ে কাজ করছি। এই ২২-২৩ বছরের অভিজ্ঞতায় অবশ্যই ন্যূনতম জ্ঞান তো আমার আছে যে শ্রমিক দিবসে অবশ্যই ফ্যাক্টরি বন্ধ রাখা হয়। যে কয়জন আজকে এই পিপিই ও মাস্ক বানাতে এসেছিল তারা সবাই নিজ ইচ্ছাই এসেছিল এবং তাদের ৪ ঘণ্টা ডিউটিতে ৮ ঘণ্টার পারি’শ্রমিক দেওয়ার শর্তে আনা হয়েছিল এবং তাদের আমার ফ্যাক্টরিতে গাড়ি দিয়ে আনা’নো হয়েছিল এবং গাড়িতে করেই পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:  ইচ্ছা থাকলেও সবাইকে সহায়তা করতে পারবেন না, আমাকে ক্ষমা করবেন

সুতরাং এটা সত্য যে আজকে ফ্যাক্টরি খোলা হয়ে’ছিল এবং যারা আজকে কাজে এসেছিল তারা এসেছিল মাস্ক ও পিপিই বানা’নোর জন্যই। কিন্তু এই যে বিক্ষোভ, মহাস’ড়ক অবরোধ ভাঙচুর, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া তো কেউ করেনি, এ ধরনের বানোয়াট মিথ্যা নিউজ করবেন না। কোথাকার শ্রমিকের ছবি কোথায় দিয়ে ভুয়া নিউজ করে ফেলছেন। সাভার জোনের ইন্ডাস্ট্রি’য়াল পুলিশ ইনচার্জ ও ট্যানারি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের সঙ্গে কথা বললেই ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে পারবেন। তারা এসে ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে গেছেন। আর এ জে গ্রুপ হেমায়েতপুরের সিংরাই রোডে অবস্থিত।নিউজে যে বিল্ডিং আর যে রাস্তা দেখা হচ্ছে এটি আমার ফ্যাক্টরির বিল্ডিং না ফ্যাক্টরির রাস্তাও না। আপনারা গুগল করে এ জে আই গ্রুপের বিল্ডিং এর ছবি এবং রাস্তা দেখে নিন।

আরও পড়ুন:  ইচ্ছা থাকলেও সবাইকে সহায়তা করতে পারবেন না, আমাকে ক্ষমা করবেন

আপনারা ‘অবগত আছেন যে করো’নার এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে ফ্যাক্টরিতে কাজে না আসা সত্ত্বেও আমি আমার কর্মচারী’দের বেতন প্রদান করে দিয়েছি যথাসময়ে। বাংলাদেশ’সহ বিশ্বের অনেক বড় বড় নামী’দামি কোম্পানির যেখানে বেতন বন্ধ করে দিয়েছে। আর করোনার এই মহা’মারিতে আজকের ছুটি টা পেয়ে সবাইকে ঘরেই বসে থাকতে হতো, যেহেতু সব জায়গায় লক’ডাউন। সেখানে চার ঘণ্টার কাজ করে ডাবল টাকা পাওয়ার ঘোষণা শুনে আনন্দের সহিত তারা আজকে ফ্যাক্টরিতে আসার সম্মতি জানায়। আর বিক্ষোভ করলে তো ফ্যাক্টরিতে ঢোকার আগেই করত, সেখানে ৩ ঘণ্টা ডিউটি শেষ হওয়ার পর বি’ক্ষোভের কথা নিউজে লেখা হয়েছে। বিক্ষোভ করলে তো গতকালকে বা আজকে ফ্যাক্টরিতে ‘ঢোকার আগেই করত। সুতরাং আপনারা স্পষ্ট বুঝতেই ‘পারছেন কিছু কুচক্রী মহল আমার নাম ক্ষুণ্ন করার জন্য আজকের ঘটনাটি সা’জিয়েছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 21
    Shares