প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়ছেন ৯ ব্যক্তি

67
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

প্রতিদিনই যখন দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে, ঠিক তখনই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়ছেন ৯ ব্যক্তি। শুধু তাই নয়, করোনাকে জয় করে হাস’পাতাল ত্যাগ করা রোগীদের করতালির মাধ্যমে বিদায় জানা’চ্ছেন চিকিৎসকরা। শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে এমন দৃশ্যের অবতারণা হয় রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাস’পাতালে। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়া ৯ ব্যক্তিকে করতালি দিয়ে বিদায় জানিয়েছেন চিকিৎসক ও অন্যান্য কর্মকর্তা। করোনা থেকে বেঁচে ফেরার পর এমন মুহূর্তের মুখো’মুখি হতে পেরে রোগীরাও বেশ আনন্দিত।

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বের হতে থাকেন সুস্থ হওয়া রোগীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন দুজন চিকিৎসকও। এভাবে একে একে ৯ ব্যক্তি চিকিৎসকদের করতালির মাধ্যমে হাস’পাতাল ত্যাগ করেন। এর আগে, শুক্রবারও মুগদা জেনারেল হাস’পাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন। হাস’পাতাল’টিতে এখন ভর্তি আছেন ২৮৯ জন। হাস’পাতাল থেকে বাড়ি ফেরার সময় নিজেদের অভি’জ্ঞতার কথা জানান কয়েকজন। এদের মধ্যে দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক শওকত হোসেন মাসুম বলেন, ‘এই হাস’পাতালে এসেছি ২০ এপ্রিল। আমি হাস’পাতালের দ্বিতীয় রোগী।

আরও পড়ুন:  করোনায় আক্রান্ত অ্যাটর্নি জেনারেল

ওয়ার্ডে ছিলাম দুদিন। স্বাভাবিক’ভাবে ওয়ার্ডে থাকা সহজ না। পরে আস্তে আস্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবকিছু গুছিয়ে এনেছেন, আমিও কেবিনে গিয়েছি। আই’সিইউতেও ছিলাম। সব মিলিয়ে ডাক্তাররা আমাকে অনেক সহায়তা করেছেন। এখন ভালো আছি। দুবার করোনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।’ করোনা পজিটিভ রোগী’কে সেবা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন মুগদা হাস’পাতালের মেডিক্যাল অফিসার বনি আমিন। তিনি বলেন, ‘আমি আক্রান্ত হয়েছি ১২ এপ্রিল।

এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাস’পাতালে ভর্তি ছিলাম ১৩ থেকে ২৩ এপ্রিল। পরে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত হই। আমার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। ডাক্তাররা কো-অপারেটিভ। যদিও ডিসটেন্স ম্যানটেইন করে রোগী দেখছেন, এটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। জন’সচেতনতা খুবই জরুরি।’ কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড ডক্টর ফোরা’মের সভা’পতি ও হাস’পাতালটির চিকিৎসক অধ্যাপক মনিলাল আইচ লিটু বলেন, ‘করোনার কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই।

আরও পড়ুন:  *প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ বাংলাদেশি*

করোনা আক্রান্তদের ৮০ শতাংশের কোনও চিকিৎসা লাগে না। এরমধ্যে ২৩ শতাংশ সিন’ড্রোমেটিক, বাকিদের মাইল্ড সিন্ড্রোম। এখানে সা’পোর্টিং চিকিৎসা দেওয়া হয়। সে’কেন্ডারি ইনফেকশন যাতে না হয় সেজন্য এন্টি’বায়োটিক দেওয়া হয়। কখনও কখনও নিওমোনিয়া বেশি হলে অক্সিজেন, আইসিইউ সাপোর্ট লাগে, সেগুলো দেওয়া হয়। করো’নার জন্য তো কোনও ওষুধ নেই। রোগীর যে লক্ষণ প্রকাশ পায়, সেই অনু’যায়ী আমরা চিকিৎসা দিয়ে থাকি।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 57
    Shares