প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

ধানের দাম নিয়ে হতাশ চাষিরা

78
পড়া যাবে: < 1 minute

চলতি মৌসুমে ধানের উৎপাদন ভাল হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ, নেত্র’কো’সহ বিভিন্ন জেলা থেকে কৃষক ও ধান বিক্রেতারা এই মোকামে এসে ভিড় করছেন। প্রতি’দিন অন্তত ৫০ হাজার থেকে এক লাখ মণ ধান এই মোকা’মে নিয়ে আসা হচ্ছে। বেচা বিক্রি এমন ধুম থাকলেও ধানের সঠিক মূল্য পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা তালগোল।

একদিকে কৃষক ও ধান বিক্রেতারা বলছেন, সিন্ডি’কেটের কারণে তারা ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অন্য’দিকে মিলমালিকদের দাবি অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ধানের ভাল দাম পাচ্ছেন কৃষকরা মোকামে কথা হয় ধান বিক্রেতা ‘শাহজাহান মিয়ার’ সঙ্গে। তিনি বলেন, নৌকায় করে কিশোরগঞ্জ থেকে এক হাজার মণ ধান নিয়ে এসেছি। মোটা ধান প্রতি মণে সাড়ে পাঁচশ টাকা দর পাচ্ছি। আর চিকন ধান প্রতি মণে ছয়শ টাকা পাচ্ছি। সব খরচ মিটিয়ে আমা’দের পোষায় না। ধান বিক্রি করে আমরা লাভবান হচ্ছি না।

কৃষক লিটন হোসেন বলেন, উৎপা’দিত ফসল আমাদের ধরে রাখা সম্ভব না। জমিতেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। কারণ ধারদেনা করে আমরা ফসল আবাদ করছি। মহা’জনের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে আমরা ফসল অল্প দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। আড়ৎদার জজ মিয়া বলেন, ধানের আম’দানি বেশি এবং বৈশাখ মাসের ভিজা ধান হওয়ায় ধান বিক্রেতারা দর কিছুটা কম পেয়ে থাকেন। আবার চালের দাম কমলে ধানের দামও কিছুটা কমে।

ব্রাহ্মণ’বাড়িয়া চাতাল মালিক সমিতির সভাপতি মো. বাবুল আহমেদ বলেন, চলতি বছরে ধানের যে মূল্য দেওয়া হচ্ছে। তা অন্যান্য বছরের’ তুলনায় অনেক বেশি। আগে প্রতি মণ ধান তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ টাকা দরে বিক্রি হত। কিন্তু এ বছর প্রতি মণে সাড়ে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনি আরো জানান, বর্তমান মূল্যে ধান ক্রয় করলেও মিল’মালিকরা লাভ’বান হতে পারবেন না। কারণ প্রতি’মণ ধান থেকে প্রক্রিয়া শেষে ১৮ থেকে ২০ কেজি চাল পাওয়া যায়। বর্তমান বাজারে’ চালের যে দাম রয়েছে তার চেয়েও দুইএকশ টাকা কম পড়ে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 107
    Shares