প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয়

আজ ১০ মে, বিশ্ব ‘মা’ দিবস আজ

31
পড়া যাবে: < 1 minute

পৃথিবীর সব’চেয়ে মধুর শব্দ ‘মা’। মাত্র একটি অক্ষরের শব্দ ‘মা’, অথচ তাতেই যেন সমস্ত ভালো’বাসা, আবেগের সম্মিলন। সম্পর্কের বেড়া’জাল ছিন্ন করে সবাই দূর পর’বাসে মিলতে পারে। চলে যেতে পারে প্রেমা’বেগের বন্ধনের প্রিয়সীও। কিন্তু মা’র স্নেহ-ভালো’বাসার বন্ধন কখনই ছিন্ন হবার নয়। আজ বিশ্ব মা দিবস। প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রোব’বার এ দিবসটি পালন করা হয়। মা দিবসের উদ্দেশ্য, প্রতিটি মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দেওয়া। যিনি জন্ম দিয়েছেন, লালন-পালন করেছেন—সেই মা অনেক ক্ষেত্রেই অবহেলিত। ঘরে-বাইরে সর্বেক্ষত্রে মায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠার ল’ক্ষেই দেশে দেশে মা দিবস পালন করা হয়।

ইউরোপ-আমেরিকায় ঘটা করে পালন করা হয় মা দিবস। বাংলা’দেশে দিবসটি পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। বর্তমানে প্রচলিত মা দিবসের সূচনা হয় ১৯০৮ সালে। শতা’ব্দীর শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিলা’ডেলফিয়ার এক স্কুলশিক্ষিকা অ্যানা জারভিস সেখানকার পারিবারিক বিচ্ছিন্ন’তা দেখে মর্মা’হত হয়ে মায়ের জন্য বিশেষ দিন পাল’নের মাধ্য’মে সচে’তনতা সৃষ্টি করার কথা ভাবলেন। তার সে ভাবনা বাস্তবা’য়নের আগেই ১৯০৫ সালের ৯ মে তিনি মারা যান। তার মৃত্যু’র পর মেয়ে অ্যানা এম জার’ভিস মায়ের শেষ ইচ্ছা পূরণের উদ্দেশে কাজ শুরু করেন। বন্ধু’বান্ধবকে নিয়ে ১৯০৮ সালে তার মা ফিলা’ডেলফিয়ার যে গির্জায় উপাসনা করতেন, সে’খানে সব মাকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্য’মে মা দিবসের সূচনা করেন।

১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠা’নিকভাবে মে মাসের দ্বিতীয় রবি’বারকে মায়েদের জন্য উৎসর্গ করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করা হয় এভাবেই শুরু হয় মা দিবসের যাত্রা। এরই ধারা’বাহিকতায় আমে’রিকার পাশা’পাশি মা দিবস এখন বাংলাদেশ’সহ অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, রাশিয়া ও জার্মান’সহ শতাধিক দেশে মর্যাদা’র সঙ্গে দিবস’টি পালিত হচ্ছে। যদিও করোনার কারণে এবার দিবসটিতে কোন আনুষ্ঠানিকতা দেখা যাবেনা। তাই বলে ঘরে ঘরে মায়ের ভালবাসা কুড়াতে কার্পণ্য করবে না, কোন সুসন্তান।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 120
    Shares