প্রচ্ছদ জীবন-যাপন

মা হওয়া অসম্ভব, স্বপ্ন ভে’ঙে চু’রমা’র হয়ে গিয়েছিল মাত্র ২৩ বছর বয়সে

214
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ছোট থেকেই শিশুদের ভাল লাগত তার। স্বপ্ন দেখতেন মা হওয়ার। সন্তান’দের কীভাবে লালন’পালন করতে চান, এই নিয়ে স্কুলে পড়াকালীন একটা প্রবন্ধ লিখে ফেলে’ছিলেন। অথচ তার সেই স্বপ্ন ভে’ঙে চু’রমা’র হয়ে গিয়েছিল মাত্র ২৩ বছর বয়সে। যখন তিনি জানতে পারলেন, কোনও’দিনই তার মা হওয়া সম্ভব নয়। ১৯৮৫ সালে ভারতের সব’চেয়ে ধনী পরিবারে বিয়ে হয় নীতা আম্বা’নীর। বিয়ের ঠিক এক বছর পর এক চিকিৎস’কই তাদের প্রথম এই দুঃ’খের খবরটা দেন। প্রচ’ণ্ড ভে’ঙে পড়েছিলেন নী’তা। স্বামী মুকেশ আম্বানী সব সম’য়েই তার পাশে ছিলেন। পা’শে পেয়ে’ছিলেন দুই পরিবারকেও। কিন্তু স্বপ্ন যখন ভে’ঙে যায়, তা মানিয়ে উঠতে অনেক মান’সিক য’ন্ত্র’ণা স’হ্য করতে হয়।

এর পর থেকে’ই শুরু হয় নীতার জীবনের সবচেয়ে কঠি’ন সময়। অনেক চিকিৎসকের পরা’মর্শ নেওয়ার পর নীতা এবং মুকেশ অবশেষে স্থির করেন আই’ভিএফ পদ্ধতি’তে সন্তান নেওয়ার। ঘটনাটি ১৯৮৬ সালে, সে সময় বর্ত’মান যুগের মতো আই’ভিএফ এতটা বিশ্বাসযো’গ্য হয়ে ওঠেনি মানুষের কাছে। ক’জন মানুষই বা আই’ভিএফ সম্পর্কে জানতেন!তাদের আই’ভিএফ-এর কথা প্রথম বলেছিলেন পারি’বারিক বন্ধু এবং চিকিৎসক ফিরুজা পারিখ। ক’ড়া ওষুধ আর উন্নত প্রযু’ক্তির মাধ্যমে শুরু হয় তাদের চিকিৎসা। অনেক চেষ্টার পর বিয়ের প্রায় সাত বছর পর প্রথম অ’ন্তঃস’ত্ত্বা হন নীতা। যে দিন নীতা জানতে পেরেছিলেন এই খবরটা, সেটাই বোধহয় তার জীবনের সেরা মুহূ’র্ত হয়ে থেকে যাবে চির’কাল।

সুখটা দ্বিগুণ হয়ে এসে’ছিল নীতা-মুকেশের জীবনে। তার গ’র্ভে যম’জ সন্তান বড় হচ্ছিল ধীরে ধীরে। অনেক সাব’ধানতা ছিল। এই পুরো সময়টাই তাই চিকিৎ’সকের কথার এতটুকু ন’ড়চ’ড় করেননি তিনি। ১৯৯১ সালে ঈশা এবং আকাশের জন্ম দেন নীতা। আম্বানী পরিবা’রে খুশির আলো জ্বলে ওঠে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়া’রিতে আনন্দ পিরা’মলকে বিয়ের এক বছর পর এক সাক্ষাৎকারে নিজেই এ কথা জানিয়ে’ছিলেন ঈশা আম্বানী। ঈশা বলেছিলেন, “আমি আর আমার ভাই আকাশ দুজনেই যম’জ। আই’ভি’এফ পদ্ধতিতে হয়েছি। বিয়ের সাত বছর পর আমা’দের বাবা-মায়ের সন্তান হয়।” ঈশা এও জানান, সন্তান’দের লালন’পালনে যাতে কোনও অভাব থেকে না যায়, তার জন্য তাদের মা ‘নীতা কাজ ছে’ড়ে দিয়ে’ছিলেন। তাদের পাঁচ বছর বয়স হওয়ার পর ফের কাজে যোগ দেন নীতা।

ঈশা এবং আকাশের জন্মের কয়েক বছর পর, ১৯৯৫ সালে আম্বানী পরি’বারের ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানীর জন্ম দেন নীতা। নীতা-মুকেশের এই সন্তান অবশ্য স্বাভা’বিকভাবেই জন্ম নিয়ে’ছিলেন। নীতার গ’র্ভে যখন প্রথম যমজ সন্তান আসে, নীতার তখন ৪৭ কেজি ওজন ছিল, তারপর তিনি দ্বিগুণ হয়ে গিয়ে’ছিলেন। ৯০ কেজি ওজন হয়ে গিয়ে’ছিল তার।নীতা কিন্তু তখন একেবারেই নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্যের কথা ভাবেন’নি। সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে তিনি আপ্রা’ণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়ে’ছিলেন। ঈশা এবং আকাশ দুজনেই প্রিম্যা’চিওর বেবি। পরিপূর্ণ গ’র্ভাব’স্থার দু’মাস আগেই তাদের জন্ম হয়েছিল। তাদের জন্মের পর নির্দিষ্ট ডায়েট এবং নিয়মিত ব্যায়াম করেই অতিরিক্ত ৫৮ কেজি মেদ ঝ’রিয়ে’ছেন তিনি। নিজের সংসারের প্রতি কতটা যত্নশীল নীতা? তিনি আজও সুন্দর ভাবে কাজ এবং সংসার সামলে চলেছেন। নীতা তাই তার ছেলে’মেয়ে’দের চোখে

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 36
    Shares