প্রচ্ছদ Featured News

এবার মাস্ক কে’লেঙ্কা’রিতে ধরা তমা কনস্ট্রাকশন

63
এবার মাস্ক কে’লেঙ্কা’রিতে ধরা তমা কনস্ট্রাকশন

পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ম’হামারি ক’রোনাভাইরাসের মাঝেও থেমে নেই অসৎ মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের অপকর্ম। ক’রোনা প্রতিরোধের অন্যতম বড় অ’স্ত্র মাস্ক নিয়ে একের পর এক প্রতিষ্ঠান শুরু করেছে তেলসমাতি কাণ্ড। কেএন-৯৫ মাস্ক আমদানিতে এলান করপোরেশনের অ’পকর্মের পর এবার মাস্ক কে’লেঙ্কা’রিতে নাম উঠে এসেছে তমা কনস্ট্রাকশনের। সম্প্রতি সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোর ডিপার্টমেন্টে (সিএমএসডি) এন৯৫ মাস্ক সরবরাহের সময় কার্টনে চুক্তির তুলনায় কম মাস্ক পেয়েছে সরকারের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।

জানা গেছে, গত ২ মে সিএমএসডিতে ৩ লাখ পিস এন ৯৫ মাস্ক সরবরাহের কার্যাদেশ পায় তমা কনস্ট্রাকশন। কর্যাদেশের বিপরীতে পরদিন প্রথম ধাপে ২৫২ কার্টনে ৬০ হাজার ৪৮০ পিস মাস্ক এবং দ্বিতীয় ধাপে ১১১ কার্টনে ২৬ হাজার ৬৪০ পিস মাস্ক সরবরাহ করে। প্রতি কার্টনে ১২ বক্স আর প্রতি বক্সে ২০ পিস করে মাস্ক সরবরাহের চুক্তি ছিল। কিন্তু সরবরাহকৃত মাস্কের প্রতিটি লটে কম থাকার অভিযোগ উঠলে মাঠে নামে সরকারের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।

আরও পড়ুন:  মাস্ক কে’লেংকারি’র তদন্ত রিপোর্টে গ’ডফা’দারদের নাম নেই

এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বুধবার পুনরায় ৪২০ কার্টনে মোট ১ লাখ ৮শ পিস মাস্ক সরবরাহ করা হয়। এ সময় তমা ট্রান্সপোর্টেও পিকআপ ভ্যান জব্দ করে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে মাস্কের ২০টি কার্টন তল্লাশি করা হয়। এসময় ৫টি কার্টনে এক থেকে দুটি করে বক্স কম পাওয়া যায়, যার প্রতিটি বক্সে ২০টি করে মাস্ক থাকে। পরে গোয়েন্দা সংস্থাটির পক্ষ থেকে সিএমএসডি কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হলে মালামাল আর গ্রহণ করা হয়নি।

এরপর প্রতি কার্টনে মাস্ক কম থাকার বিষয়টি জানিয়ে তমা কনস্ট্রাকশনে চিঠি পাঠিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। চিঠিতে বলা হয়, চালান অনুযায়ী আপনাদের প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া ১ লাখ ৮শ পিস এন৯৫ মাস্ক গ্রহণ করার সময় দৈবচয়নের ভিত্তিতে পর্যবেক্ষণে ২০ টি কার্টুনের মাঝে ৫ থেকে ৬টি কার্টনে ১ থেকে ২টি বক্স কম পাওয়া যায়। এ ভাবে কার্টনে বক্স না থাকলে আনুপাতিক হারে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মাস্ক কম পাওয়া যাবে, যা অনভিপ্রেত ও চুক্তিশর্ত লঙ্ঘন। এ কারণে প্রাথমিকভাবে মালামাল গ্রহণ করা হলো না।

আরও পড়ুন:  মাস্ক কে’লেংকারি’র তদন্ত রিপোর্টে গ’ডফা’দারদের নাম নেই

উল্লেখ্য, এর আগে কেএন-৯৫ মাস্ক আমদানিতে ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহারের ঘটনায় এলান করপোরেশনের মালিক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মা’মলা করে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। মা’মলায় ৪৬৮, ৪৭১ ও ১৯৮ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম দায় নিতে অস্বীকার করে জানান, মাস্ক আমদানির জন্য তিনি অন্য একজনকে লাইসেন্স ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। পরে এলান করপোরেশনের লাইসেন্স ব্যবহার করে মাস্কের আমদানিকারক পুরান ঢাকার তাজুল ইসলাম ও তার গাড়িচালকের বিরুদ্ধেও মা’মলা করা হয়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 24
    Shares