প্রচ্ছদ অপরাধ

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ অর্থপা’চার মা’মলায় তিন দিনের রি’মান্ডে

24
অর্থপা’চার মা’মলায় ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ তিন দিনের রি’মান্ডে

পড়া যাবে: 2 মিনিটে

অর্থপা’চার আইনে করা মা’মলায় ক্যা’সিনোকা’ণ্ডে আলোচিত ও বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়াকে তিন দিনের রি’মান্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম (ভার্চুয়াল আদালত) জিয়াউর রহমান শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে খালেদকে উপস্থিত দেখানো হয়।

এসময় তার সঙ্গে কারা কর্তৃপক্ষ ছিলেন। মতিঝিল থানার অর্থপা’চার মা’মলায় তাকে গ্রে’প্তার দেখানো হয়। মতিঝিল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোতালেব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রি’মান্ডে নিতে আবেদন করেন সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক রাশেদুর রহমান। অপরদিকে তার আইনজীবী রি’মান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্াষের শুনানি শেষে বিচারক তিন দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোতালেব হোসেন বলেন, মতিঝিল থানার অ’র্থপা’চার মামলায় রোববার খালেদকে গ্রে’প্তার দেখানো পূর্বক সাত দিনের রি’মান্ড আবেদন করে সিআইডি।

ওইদিন আদালতে আবেদনটি উপস্থাপন করা হলে বিচারক আজ মঙ্গলবার এ বিষয় শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাকে অর্থপাচার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোপূর্বক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন:  রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁ'সি থেকে মুক্তি পেয়ে আবার খু'ন করলেন যুবলীগ নেতা

এর আগে ৭ই জুন সিআইডির অর্গানাইজড ক্রা’ইমের ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াডের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ইব্রাহিম হোসেন বা’দী হয়ে মানি ল’ন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে খালেদের বিরুদ্ধে এ মা’মলাটি করেন। মা’মলা নম্বর ৩(৬)২০। পরের দিন ৮ই জুন ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ সিআইডির করা দুই মা’মলার এ’জাহার গ্রহণ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১২ই জুলাই দিন ধার্য করেন।

মা’মলার অপর আ’সামিরা হলেন- আইয়ুব রহমান, আবু ইউনুস ওরফে আবু হায়দার, দীন মজুমদার ও অজ্ঞাত আরও কয়েকজন। তবে খালেদ ছাড়া অপর উল্লিখিত আ’সামিরা অর্থপা’চারে খালেদকে সহযোগিতা করেছেন মর্মে জানা যায়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ২০১০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অ’বৈধ প্রভাব বিস্তার ও ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর কমলাপুর রেল ভবন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, যুব ভবন, কৃষি ভবন, ঢাকা ওয়াসার ফকিরাপুল জোন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব প্রকল্পের কাজের টেন্ডার একচ্ছত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছেন।

আরও পড়ুন:  রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁ'সি থেকে মুক্তি পেয়ে আবার খু'ন করলেন যুবলীগ নেতা

পছন্দমতো প্রকল্পের কাজ নিজের মালিকানাধীন ভূঁইয়া অ্যান্ড ভূঁইয়া ডেভেলপারস লিমিটেড, অর্ক বিল্ডার্স এবং অর্পণ প্রোপার্টিজের নামে এসব কাজ করতেন। অবশিষ্ট প্রকল্পের কাজের জন্য অন্য ঠিকাদারদের কাছ থেকে ২-১০ শতাংশ হারে নগদ চাঁ’দা আদায় করতেন।

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা যেমন- মতিঝিল, সবুজবাগ, খিলগাঁও, কমলাপুর, মালিবাগ, শান্তিনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় অ’বৈধ মাছের বাজার, কোরবানির পশুর হাট, সিএনজি স্টেশন, গণপরিবহন থেকে ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ আদায় ও চাঁ’দাবা’জির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অ’পরাধলব্ধ আয় করেন। রাজধানীর শাহজাহানপুরে রেলওয়ের জমিতে অ’বৈধভাবে মার্কেট নির্মাণ ও বিক্রয় করে অ’বৈধভাবে লাভবান হন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 51
    Shares