প্রচ্ছদ বাংলাদেশ

শ্রীলেখার ফেরদৌসের সঙ্গে কথা বলা মেনে নিতে পারেননি প্রসেনজিৎ

37
শ্রীলেখার ফেরদৌসের সঙ্গে কথা বলা মেনে নিতে পারেননি প্রসেনজিৎ
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

সুশান্ত সিং রাজপুতের অকাল মৃ’ত্যুর পর ডিপ্রেশন নিয়ে মুখ খুলেছেন অনেকেই। সরব হয়েছেন স্বজনপোষণ নীতি নিয়ে। উঠে এসেছে বেশ কিছু তাবড় ব্যক্তিত্বের নাম।

অনেকেই সাহস পেয়ে মুখ খুলছেন। তবে সিনে ইন্ডাস্ট্রির সব জায়গার চিত্র সর্বত্রই এক। সেই কথাই শ্রীলেখা মিত্র তুলে ধরলেন তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে।

সেখানে জানান, একদিন শুটিং ফ্লোরে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে পাত্তা না দিয়ে ফেরদৌসের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপরই এই নায়িকাকে ফোন করে নতুন ছবির কথা জানান প্রসেনজিৎ।

পড়াশুনা, ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ এই সব কিছুই শ্রীলেখা তুলে ধরেন দীর্ঘ বক্তব্যে। সুশান্তের মতই তার কোনো গডফাদার ছিল না ইন্ডাস্ট্রিতে। ফলে কাজ পেতে ও কাজ ধরে রাখতে তাকে বেশ বেগ পেতে হয়েছে। শ্রীলেখার কথায় ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে সবসময়ই পাওয়ার গেম চলে। সেই সঙ্গে রয়েছে ক্ষমতার আস্ফা’লন। অবশ্য সেই ক্ষমতা কে কী’ভাবে ব্যবহার করবে তা নিতান্তই ব্যক্তিগত।

প্রায় একঘন্টা নয় মিনিটের এই ভিডিওতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন শ্রীলেখা। এসেছে সৃজিত মুখোপাধ্যায়, শি’বপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের মতো বেশ কিছু নাম।

শ্রীলেখা জানান, ১৯৯৭-৯৮ সালে যখন তিনি অ’ভিনয় করতে আসেন তখন জুটি হিসেবে হিট প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। বলেন “প্রথম’দিকে আমি নায়িকার কোনও চরিত্র পাইনি। তখন ইন্ডাস্ট্রিতে এক নম্বরে ছিলেন বুম্বাদা অর্থাৎ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তখন বোনের চরিত্র করেছি। সেকেন্ড লিড করেছি। যদিও আমি জানতাম আমি নায়িকা হওয়ার যোগ্য। কিন্তু সেই সময় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রে’ম।”

প্রসেনজিৎ স’ম্পর্কে শ্রীলেখা বলছেন, “আমাদের সমাজটাই পুরুষতান্ত্রিক। তাই টলিউড তার বাইরে হবে এটা আম’রা আশা করতে পারি। বুম্বাদার কথাতেই সমস্ত কিছু চলত। বুম্বাদার একটা আলাদা চেয়ার থাকত। আমি দেখতাম বুম্বাদা চেয়ারের ওপর পায়ের উপর পা তুলে বসে আছেন। কিন্তু পরিচালকরা মাটিতে বসে তার সঙ্গে কথা বলছেন। ঋতু দেরি করে শুটিং ফ্লোরে আসত। সবাই ওর জন্য অ’পেক্ষা করত। কিন্তু তাও ওকেই নেওয়া হতো পরের ছবিতেও। কিন্তু আমাদের সব সময় প্রমাণ করতে হতো যে আম’রা সময়ানুবর্তিতা মেনে চলি। কিন্তু প্রসেনজিৎ ঋতুপর্ণা জুটি। এই জুটি তো ভাঙবার নয়। ছবি না চলুক ও তবুও এরাই এখন ছবি করবে।”

তিনি বলছেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে আমি কোনও জুটি তৈরি করতে পারিনি। সব নায়ক ততদিনে জুটি বেঁধে ফেলেছেন।” প্রথমে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা তারপর প্রসেনজিৎ-অর্পিতা, জিৎ-স্বস্তিকা, তারপর স্বস্তিকা-পরমব্রত। তার কথায়, “যে নায়িকার সঙ্গে নায়কের প্রে’ম ছিল তারা জুটি হিসেবে কাজ পেতেন। এটা যেন প্যাকেজ ডিল ছিল। আমা’র কোনো নায়ক পরিচালক বা প্রযোজকের সঙ্গে প্রে’ম হয়নি। তাই কাজটা আমায় দেবে কে। তার উপরে আমি সোজা কথা সোজাভাবে বলতে ভালোবাসি। মহিলা হওয়ার আলাদা কোনো সুবিধা নিতে পছন্দ করি না।”

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।